রানের জাতীয় সংসদ মজলিশে শুরায়ে ইসলামী স্পিকার মোহাম্মাদ বাকের কালিবফ সতর্ক করে বলেছেন যে ইহুদিবাদী ইসরায়েল মুসলিম দেশগুলোকে বিভক্ত করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিশ্ব সংসদ স্পিকার সম্মেলনের ফাঁকে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন,
“তারা মুসলিম দেশগুলিকে বিভক্ত করতে চায়, তাই আমাদের অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।”
গাজা ও ফিলিস্তিনের বর্তমান পরিস্থিতি থামাতে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি সতর্ক করেন যে সিরিয়ার মতো অবস্থা অন্য দেশগুলোতেও তৈরি হতে পারে।
মোহাম্মাদ বাকের কালিবফ আরও বলেন,
“ইরানের ধ্বংসাত্মক জবাব প্রমাণ করেছে যে ইহুদিবাদীরা দুর্বল এবং ধ্বংসযোগ্য, আর ইরানের এই পদক্ষেপ ইসলামী উম্মাহকে এক নতুন চেতনা দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে সম্পর্কে তাদের মধ্যে আশা জাগিয়েছে।”
এদিকে, মার্কিন সিনেট ইসরায়েলের কাছে ৬৭৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের অস্ত্র বিক্রি বন্ধের প্রস্তাব দুটি ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই প্রস্তাব উপস্থাপনে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন ইসরায়েল সমালোচক হিসেবে পরিচিত সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিকস জোটকে আক্রমণ করে বলেন,
“তারা ব্রিকসে রয়েছে, যা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশগুলির একটি জোট। ভারতও এসবের অন্যতম। বিশ্বাস করুন আর না করুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে বিবেচিত ওই দেশগুলোই এই জোটের সদস্য। এটি ডলারের উপর আক্রমণ এবং আমরা কাউকে ডলারের উপর আক্রমণ করতে দেব না।”
তিনি ঘোষণা দেন যে ব্রিকস সদস্য হওয়ার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর ১ আগস্ট থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
অন্যদিকে, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দুই ইসরায়েলি সেনার বিরুদ্ধে মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠিয়েছে বেলজিয়াম। এই দুই সেনা জুলাই মাসে অ্যান্টওয়ার্পের একটি সঙ্গীত উৎসবে যোগ দিতে বেলজিয়ামে গেলে কয়েকটি ফিলিস্তিনি সংগঠন তাদের চিহ্নিত করে অভিযোগ দায়ের করে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের মুক্তি দেওয়া হলেও বর্তমান অবস্থান গোপন রাখা হয়েছে।
ফ্রান্সের শীর্ষ সামরিক প্রতিষ্ঠান নেভাল গ্রুপ জানিয়েছে, তারা বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই এই হামলা চালানো হয় এবং প্রায় এক টেরাবাইট ডেটা চুরি করে তার কিছু অংশ ডার্ক ওয়েবে প্রকাশ করা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?