শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

গাজায় ক্ষুধা একটি অস্ত্র: ইসরাইল কীভাবে খাদ্যকে যুদ্ধের হাতিয়ার বানিয়েছে

গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ অব্যাহত থাকায়, সেখানে তীব্র খাদ্যাভাব অব্যাহত রয়েছে এবং এরফলে এই অঞ্চলের বহু নারী ও শিশু প্রাণ হারিয়েছে। গাজা উপত্যকার জরুরি কমিটি জানিয়েছে, এই অঞ্চলে যে পরিমাণ সাহায্য পৌঁছেছে তা পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন করেনি, কারণ ৮৭টি ট্রাকের বেশিরভাগই গাজায় ইসরায়েলের সাথে যুক্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ এবং পরিকল্পনায় চুরি করে নিয়ে […]

গাজায় ক্ষুধা একটি অস্ত্র: ইসরাইল কীভাবে খাদ্যকে যুদ্ধের হাতিয়ার বানিয়েছে

গাজায় ক্ষুধা একটি অস্ত্র: ইসরাইল কীভাবে খাদ্যকে যুদ্ধের হাতিয়ার বানিয়েছে

নিউজ ডেস্ক

৩১ জুলাই ২০২৫, ১০:২৬

গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ অব্যাহত থাকায়, সেখানে তীব্র খাদ্যাভাব অব্যাহত রয়েছে এবং এরফলে এই অঞ্চলের বহু নারী ও শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

গাজা উপত্যকার জরুরি কমিটি জানিয়েছে, এই অঞ্চলে যে পরিমাণ সাহায্য পৌঁছেছে তা পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন করেনি, কারণ ৮৭টি ট্রাকের বেশিরভাগই গাজায় ইসরায়েলের সাথে যুক্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ এবং পরিকল্পনায় চুরি করে নিয়ে গেছে।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা (UNRWA) এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছে যে গাজার জীবন বর্তমানে ধ্বংসের মুখে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে বসবাসকারী সমস্ত মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখোমুখি। UNRWA সতর্ক করে বলেছে যে গাজার মানবিক সংকট আরও খারাপ হচ্ছে এবং দুর্যোগের বিস্তার রোধ করার একমাত্র উপায় হল জরুরিভাবে এবং বৃহৎ পরিসরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো। আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, গাজার প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজন বর্তমানে অপুষ্টিতে ভুগছে। একই সাথে, ক্ষুধার কারণে মৃত্যুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গাজার সম্পূর্ণ অবরোধ এবং ইহুদিবাদী সরকারের খাদ্য, ওষুধ এবং মানবিক সাহায্য এই অঞ্চলে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ফলে ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষ এবং অপুষ্টির কারণে অনেক ফিলিস্তিনি মারা যাচ্ছে।

ইহুদিবাদী ইসরায়েল গাজার জনগণের বিরুদ্ধে অনাহারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, অথচ এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো একে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ বলে মনে করে।

গাজা সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ করে এবং খাদ্য, পানি ও ওষুধ পাঠানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইসরাইলি নেতারা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ভেঙে ফেলার এবং তাদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। পরিকল্পিত দুর্ভিক্ষ তৈরি করে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি জনসংখ্যা কমিয়ে আনা বা তাদের দেশত্যাগে বাধ্য করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তবে, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে গাজার ঘটনাবলী থেকে বোঝা যায় এই অঞ্চলের মানুষ তাদের বৈধ অধিকার রক্ষায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে আছে এবং ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অমানবিক কর্মকাণ্ড তাদের দৃঢ় সংকল্পের উপর কোনও প্রভাব ফেলেনি।

জাতিসংঘের সাবেক প্রতিবেদক হিলাল আল-আউলুর জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল ২০০৭ সাল থেকে গাজার জনগণের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত পরিমাণ ক্যালোরি নির্ধারণ করে তাদেরকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে। এই অমানবিক নীতিকে তারা “গাজার খাদ্য” বলে অভিহিত করেছেন।

গাজার অবরোধ কঠোর করার ক্ষেত্রে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পদক্ষেপের ব্যাপক মানবিক, রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তাগত পরিণতি হয়েছে, যা অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান একে গভীর সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে। গাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্য, পানি এবং ওষুধের তীব্র ঘাটতির সম্মুখীন। মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে অপুষ্টিতে ভোগা শিশু এবং পরিবারের ছবি বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়ার ঝড় তুলেছে।

চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের অভাবে গাজার হাসপাতালগুলো আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত হয়েছে এবং অত্যন্ত খারাপ পরিস্থিতিতে তাবুতে বসবাস করছে।

এই পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ, আরব পার্লামেন্ট এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলি অবিলম্বে অবরোধের অবসান এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের নেতাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচারের আহ্বান জানিয়েছে। অনেক দেশ ইরায়েলের কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধের সাথে তুলনা করেছে। বিশ্ব জনমত, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর জনগণ ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।

গাজায় মানবিক সাহায্য প্রবেশে বাধা দেওয়ার জন্য ইহুদিবাদী ইসরাইলের সেনাবাহিনীর সাথে চরমপন্থী ইহুদিবাদীদের সহযোগিতা এবং খাদ্য সহায়তা কনভয় চুরির ঘটনায় এই অঞ্চলে আরো বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের নেতারা স্বীকার করেছে যে গাজায় গণহত্যার ঘটনা ইসরাইলকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।

তবে গাজার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক স্থানান্তরিত করার জন্য ইহুদিবাদী ইসরাইলের নেতাদের ভয়াবহ চক্রান্ত সফল হয়নি এবং এই তাদের অপরাধের দীর্ঘ তালিকায় অনাহার এবং মানবিক ত্রাণ পরিবহনের গাড়ি চুরিও যুক্ত হয়েছে।

সূত্র : পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৮১

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৮১

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৮১

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪২৮১