আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রূপালি ইলিশের চাহিদা জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মৎস্য ব্যবসায়ী সংগঠন ‘ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে পাঠানো ওই চিঠি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে পৌঁছেছে।
আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজা শুরু হবে, এরপর কালীপূজা ও দীপাবলিসহ বিভিন্ন উৎসবের মৌসুম। প্রতিবছর এই সময়ে বাংলাদেশের ইলিশ পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। গত বছর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে ভারত ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছিল বলে সংগঠনটি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে,
“পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গের মৎসপ্রেমীদের কাছে সবচেয়ে সুস্বাদু ও আকর্ষণীয়। দুর্গাপূজার কাউন্টডাউন শুরু হওয়ায় আমরা আবারও বিনীতভাবে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চাচ্ছি।”
তবে প্রতিবছর নির্ধারিত সময়সীমার কারণে অনুমোদিত ইলিশের সম্পূর্ণ কোটা আমদানি করা সম্ভব হয় না বলে আক্ষেপ জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের ভাষ্য,
“৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আমদানি করা কঠিন। তাই সময়সীমা ছাড়া রপ্তানি অনুমতি বিবেচনা করার অনুরোধ করছি।”
কূটনৈতিক সূত্র মতে, বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানি শুধু বাণিজ্য নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি কূটনৈতিক মাত্রাও বহন করে। ২০১২ সালে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের পর কয়েক বছর তা চালু না থাকলেও ২০১৯ সালে বিশেষ উদ্যোগে পুনরায় অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রতিবছর দুর্গাপূজার আগে ইলিশ রপ্তানি দুই বাংলার বাজারে বড় প্রভাব ফেলে এবং ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?