ইরাকের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলি আল সিস্তানি গাজায় চলমান ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আরব ও মুসলিম দেশগুলোকে নীরব দর্শক না হয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এক কঠোর বিবৃতিতে তিনি গাজার পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ আখ্যা দিয়ে বলেন,
“নিরবচ্ছিন্ন হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসযজ্ঞে দুই বছরের কাছাকাছি সময়ে লক্ষাধিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে। শহর ও আবাসিক এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ফিলিস্তিনিরা আজ এক বিভীষিকাময় পরিবেশে দিন কাটাচ্ছে।”
আয়াতুল্লাহ সিস্তানি সতর্ক করে বলেন,
“গাজায় দুর্ভিক্ষ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ক্ষুধা ও বঞ্চনার প্রভাব থেকে কোনো শ্রেণি বা বয়সের মানুষই রেহাই পাচ্ছে না।” ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডকে তিনি ‘অমানবিক বর্বরতা’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণকে উৎখাত করতে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা নতুন কিছু নয়।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর এখনই এগিয়ে আসা উচিত।
“এটি তাদের নৈতিক এবং ধর্মীয় দায়িত্ব যে তারা এই মহামানবিক বিপর্যয় চলতে দেবে না,”
মন্তব্য করেন আয়াতুল্লাহ সিস্তানি।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?