মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

খাদ্য নয়, মরণ ফাঁদ! ইসরায়েলের মরণকৌশলে গাজায় রক্তাক্ত ত্রাণ কেন্দ্র

ইহুদিবাদী ইসরায়েল খুব কম খরচে ফিলিস্তিনিদের উপর গণহত্যা চালানোর কৌশল আবিষ্কার করেছে। একটানা প্রায় ২৩ মাস ধরে ফিলিস্তিনিদের উপর চলছে ইসরাইলের নানা ধরনের নৃশংস নিপীড়ন ও গণহত্যা অভিযান। আর এর সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ক্ষুধাকে হত্যার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা। গাজার মানবিক ফাউন্ডেশন (GHF) নামের একটি সংস্থার ত্রাণ সহায়তার ব্যানারের আওতায় এই হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরাইল […]

খাদ্য নয়, মরণ ফাঁদ! ইসরায়েলের মরণকৌশলে গাজায় রক্তাক্ত ত্রাণ কেন্দ্র

খাদ্য নয়, মরণ ফাঁদ! ইসরায়েলের মরণকৌশলে গাজায় রক্তাক্ত ত্রাণ কেন্দ্র

এডিটর

১৫ জুলাই ২০২৫, ১৬:০৮

ইহুদিবাদী ইসরায়েল খুব কম খরচে ফিলিস্তিনিদের উপর গণহত্যা চালানোর কৌশল আবিষ্কার করেছে। একটানা প্রায় ২৩ মাস ধরে ফিলিস্তিনিদের উপর চলছে ইসরাইলের নানা ধরনের নৃশংস নিপীড়ন ও গণহত্যা অভিযান। আর এর সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ক্ষুধাকে হত্যার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা।

গাজার মানবিক ফাউন্ডেশন (GHF) নামের একটি সংস্থার ত্রাণ সহায়তার ব্যানারের আওতায় এই হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরাইল ও তার মদদদাতা মার্কিন সরকার। কথিত এই কর্মসূচির আওতায় ত্রাণকেন্দ্রগুলোর আশপাশে খাদ্য, পানি ও জ্বালানিসহ নানা ধরনের ত্রান সাহায্য নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর হত্যাযজ্ঞ এখন এক নিয়মিত ও স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আর এভাবে নিরপরাধ ও অসহায় ফিলিস্তিনিদেরকে সাহায্যের দীর্ঘ লাইনের ফাঁদে ফেলে হত্যা করাটা সুপরিকল্পিত কৌশলেরই অংশ যাতে হত্যাযজ্ঞের জন্য বেশি অর্থ খরচ করার দরকার না হয়।

দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের হত্যা করার জন্য এ পর্যন্ত বাংকার ব্লাস্টার বোমা ও গাইডেড মিসাইলসহ অত্যন্ত ব্যয়বহুল নানা ধরনের সামরিক সাজ সরঞ্জাম, বোমা ও অস্ত্র ব্যবহার করেছে। গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গণহত্যা অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। আর সেই সময় থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামল শেষ হওয়া তথা ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের শেষের দিক পর্যন্ত ইসরায়েলকে প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি ডলার মূল্যের সামরিক ও অস্ত্র সহায়তা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতাসীন হওয়ার পরও ইসরাইলকে মার্কিন অস্ত্র সাহায্য দেয়ার এই জোয়ার অব্যাহত থাকে। ট্রাম্পের দেয়া এইসব অস্ত্রের মধ্যে ছিল ২০০০ টি শক্তিশালী বাংকার ব্লাস্টার বোমা। ফলে ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা অব্যাহত রাখতে বিপুল অংকের অর্থ ও দামি অস্ত্র খরচ করতে হয়েছে ইসরাইলকে।

এ অবস্থায় ইসরায়েলের নরঘাতক ও যুদ্ধবাজ শাসকরা আরো কম খরচে বা খুবই সস্তায় গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের উপর গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার কৌশল অনুসন্ধান করছিল। ওই শাসকরা শেষ পর্যন্ত ত্রান সাহায্যের ফাঁদে ফেলে হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রাখার কৌশল বেছে নেয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে ইসরায়েল ও মার্কিন মদদে গাজায় কথিত ত্রাণকেন্দ্রগুলো চালু হওয়ার পর থেকে কেবল গত ২৭ মে থেকে সাত জুলাই সময়ে কমপক্ষে ৭৯৮ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয় ত্রাণ সরবরাহের লাইনের মধ্যে ও এসব লাইনের আশপাশে।

জি এইচ এফ মার্কিন সামরিক কোম্পানিগুলোর অন্যতম। এই কোম্পানির নেতৃত্বে গাজায় কথিত ত্রাণ তৎপরতা চালু করা হয়েছে জাতিসংঘের ত্রাণ তৎপরতা বন্ধ করার লক্ষ্যে। এই কোম্পানির ত্রাণ কেন্দ্রগুলো এমন সব জায়গায় রয়েছে যেখানে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ইসরায়েলি সেনারা। ফলে ত্রাণ আনতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন শত শত ফিলিস্তিনি। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা মার্কিন এই ত্রাণ সংস্থাটিকে পুরোপুরি অনিরাপদ ও ইসরাইলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে উল্লেখ করেছে।

যেসব প্রামাণ্য ভিডিও প্রকাশ হয়েছে তাতে দেখা গেছে ত্রাণ নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি ছুঁড়ছে ইসরায়েলি সেনারা ও কথিত গাজা ত্রাণ ফাউন্ডেশনের মার্কিন কর্মীরা। ভিডিওগুলো দেখলে স্পষ্টই বোঝা যায় অসহায়, ক্ষুধার্ত, নিরপরাধ ও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের উপর পরিকল্পিতভাবেই গুলি বর্ষন করা হয়েছে। কারণ এভাবে গণহত্যা চালানোর খরচ খুবই কম। সম্প্রতি ইসরায়েলি দৈনিক হারেতজ জানিয়েছে ইজরায়েল গাজা বাসীদের ঘরবাড়িগুলো ধ্বংসের জন্য প্রাইভেট কোম্পানির ঠিকাদারদের নিয়োগ করেছে। প্রতিটি ঘর ধ্বংসের জন্য তারা পায় প্রায় ১৫০০ মার্কিন ডলার। আর এইসব ঘরবাড়ি ধ্বংসের প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবেই কম সময়ে বেশি অর্থ আয়ের লক্ষ্যে ফিলিস্তিনিদের উপর ত্রাণ সাহায্য দেয়ার নামে গণহত্যা চালাচ্ছে ওই ঠিকাদাররা যাতে ওইসব বাড়িঘর ধ্বংসের জন্য সাজ-সরঞ্জাম নেয়ার পথে কোন বাধা না থাকে।

এ প্রসঙ্গে ইসলামী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি গত চার জুন বলেছিলেন, ‘মানুষের কাছে এটা অবিশ্বাস্য ছিল যে এরা এরকম নৃশংস বা পৈশাচিক অপরাধযজ্ঞের ষড়যন্ত্র করতে পারে। দেখুন এর আগে এরা একটি বোমা ফেললে একটি বাড়ি বা দুটি বাড়ি ধ্বংস হতো, এতে ১০ জন বা ১৫ জন শহীদ হতেন। ওরা যখন দেখল যে না এতো যথেষ্ট নয়, অনেক কম। তাই এখন কি করা দরকার? এখন তারা কথিত খাদ্য বিতরণের কেন্দ্র তৈরি করল। গাজায় যেহেতু খাদ্য সরবরাহ নেই তাই কোথাও খাবার এসেছে শুনলে জনগণ সেখানে ছুটে গিয়ে ভিড় জমায়। এ অবস্থায় এরা তথা দখলদার ইসরায়েলি সেনারা একটি মেশিনগান নিয়ে আগে যতজনকে হত্যা করত তার চেয়ে দশ গুণ বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করছে। আগে তাদের গণহত্যা চালানোটা ছিল বেশ ব্যয়বহুল এখন তার খরচ কমে গেল, সস্তা হয়ে গেল! এখন তারা কেবল গুলি খরচ করছে। বিষয়টি খুবই চাঞ্চল্যকর।

সূত্রঃ পার্স টুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৭১