ইসরাইলি গণমাধ্যম হারেৎজ-এর বরাতে জানা গেছে, গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিতে বহুসংখ্যক ঠিকাদার নিয়োগ করছে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিটি বসতবাড়ি ধ্বংসের জন্য ঠিকাদারদের দেওয়া হচ্ছে পাঁচ হাজার শেকেল, যা প্রায় ১,৫০০ মার্কিন ডলারের সমান।
এ বিষয়ে গাজায় অবস্থানরত এক ইসরাইলি সেনা পার্সটুডে-কে জানান, ঠিকাদাররা যত বেশি ঘর ভাঙতে পারবে, তাদের আয়ের পরিমাণও তত বেশি হবে। ফলে এই প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক লাভের জন্য তারা আগ্রাসী ভূমিকা নিচ্ছে।
ওই সেনা আরও জানান, কখনও কখনও বাড়ি ধ্বংসে বাধা এলে ঠিকাদাররা সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মিলে গাজার ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র ও চলমান ট্রাকের রুটে উপস্থিত হয় এবং সাহায্যের আশায় জড়ো হওয়া সাধারণ ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটছে। এসব হামলার ফলে ধ্বংসযজ্ঞের পথ তৈরি হয়।
এদিকে, গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নিহত ও আহত হচ্ছেন বহু সাধারণ মানুষ। ধ্বংস হচ্ছে ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন জনসেবা অবকাঠামো।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করেছে এবং অবরোধ ও হামলা বন্ধে বিশ্বসম্প্রদায়কে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?