ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেছেন, যারা ইরানের ভাগ্য নির্ধারণ করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করবে ইরানি জাতি। রোববার এক্স চ্যানেলে দেওয়া বার্তায়
তিনি লিখেছেন, “আবারও, ইরানের জনগণ তাদের আশ্চর্যজনক শক্তি ও সহনশীলতা দেখিয়েছে। কাপুরুষ ইসরাইলের হামলায় নিহত নিরীহ নারী, শিশু, বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক কমান্ডারদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নামা শত্রুদের জন্য স্পষ্ট বার্তা।”
আরাকচি বলেন, “আমরা কখনো প্রাণহানি গোপন করি না, বরং শহীদদের জন্য গর্বিত। প্রতিটি কর্মকর্তা বা বিজ্ঞানীর শূন্যস্থান পূরণের জন্য শত শত মানুষ প্রস্তুত।”
এদিকে ইসরাইলের দক্ষিণ তেল আবিবে ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয় স্বীকার করেছেন ইনস্টিটিউটের প্রধান অ্যালন হেইন। ইসরাইলি টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ধ্বংসের পরিমাণ বিশাল, ক্ষতি ৩০ থেকে ৫০ কোটি ডলারের মতো।”
অন্যদিকে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরানের ওপর ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। হাজারো যুদ্ধবিরোধী কর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় জনগণ ইরান ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা করেন। ইহুদিবাদবিরোধী ইহুদিরাও বিক্ষোভে অংশ নেন, তারা জানান, “ইহুদি ধর্মের সঙ্গে ইহুদিবাদী অপরাধযজ্ঞের সম্পর্ক নেই।”
লেবাননের হিজবুল্লাহ মহাসচিব শেখ নাইম কাসেম এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যারা মনে করেন শত্রুর আগ্রাসনের মুখে আমরা চুপ থাকব, তারা ভুল করছেন। আমাদের ইসরাইলকে মোকাবিলা করে পরাজিত করার ক্ষমতা আছে।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?