দখলদার ইসরাইলের একজন বিশ্লেষক যখন ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীকে “মানবতার মহান মুক্তিদাতা” বলে স্বীকৃতি দেন—তখন বিশ্ববাসী থমকে তাকায়। রাজনৈতিক উত্তাপের মুহূর্তে এমন মন্তব্য নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র আলোড়ন তুলতে যথেষ্ট।
ইসরাইলি বংশোদ্ভূত লেখক ও বিশ্লেষক অ্যালোন মিজরাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ঘোষণা করেন,
“খামেনেয়ী সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রতীক। তিনি মানবতার হয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।” শুধু তা-ই নয়, তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন—“শিগগিরই পশ্চিমা তরুণরা এই নেতার ছবি সম্বলিত টি-শার্ট পরে হাঁটবে রাস্তায়।”
মিজরাহির এই বক্তব্য পশ্চিমা বিশ্বের রাজনৈতিক দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে এক প্রকার মৌখিক বিদ্রোহ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের স্বীকারোক্তি ইসরাইলের অভ্যন্তরে মতপার্থক্যের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
একই সুরে আওয়াজ তুলেছেন ইউরোপের অভিজাত বুদ্ধিজীবী মহলও। ইতালির রোমের লুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলেসান্দ্রো ওরসিনি মন্তব্য করেছেন,
“খামেনেয়ী কেবল নিজের বা তার সরকারের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়ছেন না—তিনি ৯ কোটি ইরানিকে পশ্চিমা দাসত্ব থেকে বাঁচানোর সংগ্রাম করছেন।”
তিনি আরও লিখেছেন,
“এই লড়াই ব্যক্তিগত নয়—এটি জাতীয় মর্যাদা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এবং আত্মপরিচয়ের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?