ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) জাতির উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন। ভাষণটি ইরানি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত, যুদ্ধবিরতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে খামেনি তার অবস্থান পরিষ্কার করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধকে ঘিরে গোটা অঞ্চল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই খামেনি গোপন স্থানে অবস্থান করছিলেন বলে ধারণা করা হয়।
অনেকের কাছেই প্রশ্ন ছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে সুপ্রিম নেতা কী বলবেন। অবশেষে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দুই দিন পর তিনি প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে যাচ্ছেন।
গত ২৪ জুন যুদ্ধরত দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং এখন পর্যন্ত সেটি কার্যকর রয়েছে। ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী মেনে চলছে। তবে পরিস্থিতি এখনও নাজুক।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির ভাষণে আঞ্চলিক শান্তি, প্রতিরক্ষা কৌশল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে দিকনির্দেশনা থাকতে পারে। একইসঙ্গে, ইরানিদের মনোবল চাঙা করতে তিনি বার্তা দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশ্বের নজর এখন খামেনির ভাষণের দিকে, যা যুদ্ধোত্তর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক আবহকে প্রভাবিত করতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?