ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। গত সোমবার (২৩ জুন) রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এর পরদিন ইরান ও ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দিক থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি, যা ইরানিদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
ইরানে খামেনির বক্তব্যই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিয়ে দেশটির জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলে এক ধরনের উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। খামেনির অবস্থান নিয়েও নানা গুঞ্জন চলছে।
কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি তেহরানের সাধারণ বাসভবনে না থেকে নিরাপদ বাংকারে অবস্থান করছেন, যদিও ইরান সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেনি। সর্বশেষ ১৮ জুন পূর্ব রেকর্ড করা তার একটি ভিডিও ভাষণ প্রচারিত হয়েছিল, যেখানে তিনি ট্রাম্পের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
যুদ্ধবিরতির পর দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। ইসরায়েলের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ইরানভূমিতে আর কোনো বোমা না ফেলতে এবং যুদ্ধবিমান ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানান।
এই পরিস্থিতিতে সবার দৃষ্টি এখন খামেনির দিকে। তিনি কী বলেন, সেটিই ঠিক করবে যুদ্ধবিরতি কতটা টেকসই হবে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই একক নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক অবস্থানের ওপর।
সূত্র: বিবিসি
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?