ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ সম্প্রতি সংসদের এক বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি দ্রুতগতিতে এগিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (IAEA) সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত থাকবে। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ইরান তার জাতীয় নিরাপত্তা এবং সার্বভৌম অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
কলিবফ বলেন, ইরানি জাতির স্থিতিস্থাপকতার মুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি সামাল দিতে লোকদেখানো হামলার আশ্রয় নিয়েছিল, কিন্তু ইরানের পাল্টা আক্রমণে তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিতে বাধ্য হয়েছে।
ইরান তার সমস্ত প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক ক্ষমতা এখনো প্রয়োগ করেনি, তবে প্রয়োজনে দেশের এবং অঞ্চলের জ্বালানি অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভুয়া ইসরাইলি রাষ্ট্রের নিরাপত্তার মিথ ভেঙে দিয়েছে এবং এই অঞ্চলে বিনিয়োগ ও স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা নষ্ট করেছে। ইরান এই বিজয়কে আল্লাহর অনুগ্রহ এবং আশুরার সংস্কৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত প্রতিরোধের ফসল বলে বর্ণনা করে।
সংসদ স্পিকারের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দেয় যে, ইরান আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে আত্মরক্ষার কৌশল অবলম্বন করছে এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের মাধ্যমে বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে। ইরান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও পারমাণবিক অধিকারকে কেন্দ্র করে দৃঢ় অবস্থান নিয়েই সামনের দিনগুলোতে অগ্রসর হবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?