ইসরায়েল দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগেই ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন দু’টি তারা প্রতিহত করেছে, যা তখনও ইসরায়েলি আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হামদা সালহুত আম্মান থেকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে—এই ড্রোন দু’টি ভোরবেলায় ছোড়া হয়েছিল, ঠিক সেই সময় যখন ইরান থেকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা হয় যুদ্ধবিরতির ঠিক আগমুহূর্তে।
“ড্রোনের গতিপথ ধীর, তাই সন্ধ্যায় এসে ধরা পড়েছে”
সেনাবাহিনীর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ড্রোনগুলোর গতিবেগ ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক ধীর। ফলে ইরান থেকে ছোড়ার পর সেগুলোকে প্রথমে ইরাক, তারপর জর্ডান অতিক্রম করতে হয়, এবং শেষপর্যন্ত ইসরায়েলের দিকে অগ্রসর হয়।
তাদের দাবি, ইসরায়েলি আকাশসীমার বাইরেই ড্রোন দুটি প্রতিহত করা হয়েছে, তবে এগুলোর লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল।
যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
এই ঘটনার ফলে যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ইরান এখনো এই ড্রোন হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু জানায়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের হামলা যদি যুদ্ধবিরতির আগেই পরিকল্পিত ও চালানো হয়ে থাকে, তবে সেটি টেকনিক্যালি যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ না করলেও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত সংকটে, প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপ এখন নতুন জটিলতা তৈরি করছে বলেই ধারণা পর্যবেক্ষকদের।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?