ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন শুরু করেছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দেশটির পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ এসলামি এ তথ্য জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করেছে।
মোহাম্মদ এসলামি মেহর সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বর্তমানে যেসব স্থানে ক্ষতি হয়েছে, সেগুলোর বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হচ্ছে। পূর্বেই পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো যাতে উৎপাদন বা সেবায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে এবং আমাদের কর্মসূচি স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চলমান অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নাশকতার শিকার হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার পর পরমাণু কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এসলামি।
তিনি বলেন, “আমরা প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তার দিকগুলো সমন্বয় করে দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো সচল করার চেষ্টা করছি। আমাদের বিজ্ঞানীরা দিনরাত কাজ করছেন যেন আমাদের কর্মসূচি ব্যাহত না হয়।”
এদিকে, ইরানের এই পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা ইরানকে সংযত হতে আহ্বান জানিয়েছে যাতে পরিস্থিতি আরও জটিল না হয়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরান তাদের পুনঃনির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?