সরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন বিশ্লেষক ফিওরেলা ইসাবেল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দাবি করেন, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানের মাধ্যমে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কার্যক্রম—এমনটাই মত দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা হামলা চালানোর মাধ্যমে নেতানিয়াহু গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়িয়ে তুলছেন।
ভার্মন্টের এই স্বাধীন সিনেটর এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ার করে বলেন, ইসরাইলের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের কারণে পুরো অঞ্চলজুড়ে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে এখনই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে, ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন আরেকটি যুদ্ধের অংশীদার হতে চায় না।
তিনি জোর দিয়ে বলেন,
“আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হতে হবে। যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলে ফেরা এখন সময়ের দাবি।”
স্যান্ডার্সের এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন বিশ্লেষক ফিওরেলা ইসাবেল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দাবি করেন, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানের মাধ্যমে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতিই ছিল ইরানের প্রতি প্রকাশ্য শত্রুতা বজায় রাখা। এমনকি সাম্প্রতিক হামলার পরও এই নীতির কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন সাবেক গভর্নর মাইক হাকাবি এক্স-এ দেওয়া পোস্টে বলেন, “লাখ লাখ আমেরিকান যেহেতু অধিকৃত ভূখণ্ডে বসবাস করে, তাই ইরানের হামলা ইসরাইলের বিরুদ্ধে নয়, বরং আমেরিকার বিরুদ্ধেই বিবেচিত হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ মনে করিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সাম্প্রতিক প্রস্তাব পাস হওয়ার পরপরই ইসরাইল ইরানে আক্রমণ চালায়। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর একচোখা সমর্থনের কারণে তেল আবিব নিজেদের দায়মুক্ত মনে করছে এবং এসব প্রস্তাবকে হামলার বৈধতা হিসেবেই ব্যবহার করছে।
রিয়াবকভের ভাষ্য,
“এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দেশও কার্যত ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে—যা আঞ্চলিক শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
নেতানিয়াহু সারাবিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন : বার্নি স্যান্ডার্স
Published on: 22 June, 2025
বিশ্বে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কার্যক্রম—এমনটাই মত দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা হামলা চালানোর মাধ্যমে নেতানিয়াহু গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়িয়ে তুলছেন।
ভার্মন্টের এই স্বাধীন সিনেটর এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ার করে বলেন, ইসরাইলের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের কারণে পুরো অঞ্চলজুড়ে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে এখনই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে, ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন আরেকটি যুদ্ধের অংশীদার হতে চায় না।
তিনি জোর দিয়ে বলেন,
“আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হতে হবে। যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলে ফেরা এখন সময়ের দাবি।”
স্যান্ডার্সের এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন বিশ্লেষক ফিওরেলা ইসাবেল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দাবি করেন, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানের মাধ্যমে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতিই ছিল ইরানের প্রতি প্রকাশ্য শত্রুতা বজায় রাখা। এমনকি সাম্প্রতিক হামলার পরও এই নীতির কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন সাবেক গভর্নর মাইক হাকাবি এক্স-এ দেওয়া পোস্টে বলেন, “লাখ লাখ আমেরিকান যেহেতু অধিকৃত ভূখণ্ডে বসবাস করে, তাই ইরানের হামলা ইসরাইলের বিরুদ্ধে নয়, বরং আমেরিকার বিরুদ্ধেই বিবেচিত হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ মনে করিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সাম্প্রতিক প্রস্তাব পাস হওয়ার পরপরই ইসরাইল ইরানে আক্রমণ চালায়। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর একচোখা সমর্থনের কারণে তেল আবিব নিজেদের দায়মুক্ত মনে করছে এবং এসব প্রস্তাবকে হামলার বৈধতা হিসেবেই ব্যবহার করছে।
রিয়াবকভের ভাষ্য,
“এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দেশও কার্যত ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে—যা আঞ্চলিক শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।
মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।
নেতানিয়াহু সারাবিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন : বার্নি স্যান্ডার্স
Published on: 22 June, 2025
বিশ্বে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কার্যক্রম—এমনটাই মত দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা হামলা চালানোর মাধ্যমে নেতানিয়াহু গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়িয়ে তুলছেন।
ভার্মন্টের এই স্বাধীন সিনেটর এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ার করে বলেন, ইসরাইলের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের কারণে পুরো অঞ্চলজুড়ে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে এখনই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে, ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন আরেকটি যুদ্ধের অংশীদার হতে চায় না।
তিনি জোর দিয়ে বলেন,
“আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হতে হবে। যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলে ফেরা এখন সময়ের দাবি।”
স্যান্ডার্সের এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন বিশ্লেষক ফিওরেলা ইসাবেল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দাবি করেন, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানের মাধ্যমে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতিই ছিল ইরানের প্রতি প্রকাশ্য শত্রুতা বজায় রাখা। এমনকি সাম্প্রতিক হামলার পরও এই নীতির কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন সাবেক গভর্নর মাইক হাকাবি এক্স-এ দেওয়া পোস্টে বলেন, “লাখ লাখ আমেরিকান যেহেতু অধিকৃত ভূখণ্ডে বসবাস করে, তাই ইরানের হামলা ইসরাইলের বিরুদ্ধে নয়, বরং আমেরিকার বিরুদ্ধেই বিবেচিত হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ মনে করিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সাম্প্রতিক প্রস্তাব পাস হওয়ার পরপরই ইসরাইল ইরানে আক্রমণ চালায়। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর একচোখা সমর্থনের কারণে তেল আবিব নিজেদের দায়মুক্ত মনে করছে এবং এসব প্রস্তাবকে হামলার বৈধতা হিসেবেই ব্যবহার করছে।
রিয়াবকভের ভাষ্য,
“এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দেশও কার্যত ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে—যা আঞ্চলিক শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।
ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।
এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।
তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।
নেতানিয়াহু সারাবিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন : বার্নি স্যান্ডার্স
Published on: 22 June, 2025
বিশ্বে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কার্যক্রম—এমনটাই মত দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা হামলা চালানোর মাধ্যমে নেতানিয়াহু গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়িয়ে তুলছেন।
ভার্মন্টের এই স্বাধীন সিনেটর এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ার করে বলেন, ইসরাইলের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের কারণে পুরো অঞ্চলজুড়ে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে এখনই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে, ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন আরেকটি যুদ্ধের অংশীদার হতে চায় না।
তিনি জোর দিয়ে বলেন,
“আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হতে হবে। যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলে ফেরা এখন সময়ের দাবি।”
স্যান্ডার্সের এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন বিশ্লেষক ফিওরেলা ইসাবেল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দাবি করেন, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানের মাধ্যমে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতিই ছিল ইরানের প্রতি প্রকাশ্য শত্রুতা বজায় রাখা। এমনকি সাম্প্রতিক হামলার পরও এই নীতির কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন সাবেক গভর্নর মাইক হাকাবি এক্স-এ দেওয়া পোস্টে বলেন, “লাখ লাখ আমেরিকান যেহেতু অধিকৃত ভূখণ্ডে বসবাস করে, তাই ইরানের হামলা ইসরাইলের বিরুদ্ধে নয়, বরং আমেরিকার বিরুদ্ধেই বিবেচিত হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ মনে করিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সাম্প্রতিক প্রস্তাব পাস হওয়ার পরপরই ইসরাইল ইরানে আক্রমণ চালায়। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর একচোখা সমর্থনের কারণে তেল আবিব নিজেদের দায়মুক্ত মনে করছে এবং এসব প্রস্তাবকে হামলার বৈধতা হিসেবেই ব্যবহার করছে।
রিয়াবকভের ভাষ্য,
“এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দেশও কার্যত ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে—যা আঞ্চলিক শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।” হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” […]
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।”
হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” তার এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—একজন মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিকে কেন ভারতীয় বিজেপি নেতা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন।
এদিকে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় নজরে নিয়েছে ভারত।” তবে ভারত তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেবে কি না—সে বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করেননি তিনি।
রণধীর বলেন, “ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সর্বোত্তম স্বার্থে আমরা সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।” তার এই মন্তব্যকে পর্যবেক্ষকরা ‘কৌশলী নীরবতা’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।
এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে শেখ হাসিনাকে দুই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। এ সময় আদালত ভবনে নিহতদের কয়েকটি পরিবারের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের কাছ থেকে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়—মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দুই আসামিকে আশ্রয় দেওয়া “ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা এবং বন্ধুসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী আচরণ।”
নেতানিয়াহু সারাবিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন : বার্নি স্যান্ডার্স
Published on: 22 June, 2025
বিশ্বে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক কার্যক্রম—এমনটাই মত দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা হামলা চালানোর মাধ্যমে নেতানিয়াহু গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়িয়ে তুলছেন।
ভার্মন্টের এই স্বাধীন সিনেটর এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ার করে বলেন, ইসরাইলের এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের কারণে পুরো অঞ্চলজুড়ে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে এখনই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে, ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন আরেকটি যুদ্ধের অংশীদার হতে চায় না।
তিনি জোর দিয়ে বলেন,
“আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হতে হবে। যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলে ফেরা এখন সময়ের দাবি।”
স্যান্ডার্সের এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের অভ্যন্তরে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন বিশ্লেষক ফিওরেলা ইসাবেল সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দাবি করেন, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমানের মাধ্যমে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতিই ছিল ইরানের প্রতি প্রকাশ্য শত্রুতা বজায় রাখা। এমনকি সাম্প্রতিক হামলার পরও এই নীতির কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন সাবেক গভর্নর মাইক হাকাবি এক্স-এ দেওয়া পোস্টে বলেন, “লাখ লাখ আমেরিকান যেহেতু অধিকৃত ভূখণ্ডে বসবাস করে, তাই ইরানের হামলা ইসরাইলের বিরুদ্ধে নয়, বরং আমেরিকার বিরুদ্ধেই বিবেচিত হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ মনে করিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সাম্প্রতিক প্রস্তাব পাস হওয়ার পরপরই ইসরাইল ইরানে আক্রমণ চালায়। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর একচোখা সমর্থনের কারণে তেল আবিব নিজেদের দায়মুক্ত মনে করছে এবং এসব প্রস্তাবকে হামলার বৈধতা হিসেবেই ব্যবহার করছে।
রিয়াবকভের ভাষ্য,
“এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দেশও কার্যত ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে—যা আঞ্চলিক শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় গঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে দেওয়া…
ভেনেজুয়েলায় অভিযান না চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ছিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা এবং যে কোনো আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা। শনিবার (১০ জানুয়ারি) জিও টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী…
নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন নির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি আবারও ঘোষণা করেছেন—ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে পা রাখলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তার এই স্পষ্ট অবস্থান…
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যেকোনো মুহূর্তে গাজা যুদ্ধ বন্ধে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বিঘ্নিত বা বানচাল করে দিতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলি…