ত্রাণ নিয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গকে গাজায় যেতে দেয়নি ইসরায়েল। বরং থুনবার্গসহ তাঁর সঙ্গীদের শত বছরের জন্য ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে গ্রেটা থুনবার্গ নিজ দেশ সুইডেনে ফিরেছেন।
গাজার বাসিন্দাদের জন্য ত্রাণবাহী জাহাজ ‘ম্যাডলিন’ থুনবার্গসহ ১২ জন কর্মী ছিলেন। থুনবার্গসহ চারজনকে জোর করে ইসরায়েল থেকে বের করে দেওয়া হয়। বাকিদেরও জোর করা হলে তারা তা অস্বীকার করেন।
সবাইকে শত বছরের জন্য ইসরায়েলে প্রবেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের পক্ষে আইনি লড়াই করা অধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এএফপি ও বাসস এ তথ্য দিয়েছে।
আদালাহ আরো জানায়, স্বেচ্ছায় ইসরাইল ছাড়তে অস্বীকার করায় বাকি আটজনকে আটক করে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয়।
সোমবার আন্তর্জাতিক জলসীমায় ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’ পরিচালিত জাহাজটিকে আটক করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। পরে সেটিকে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আটককৃতদের তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকে থুনবার্গ প্রথমে ফ্রান্স, পরে সুইডেন ফিরে যান।
প্যারিসের ‘চার্লস দ্য গল’বিমানবন্দরে থুনবার্গ বলেন, ‘আমাদের আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে অপহরণ করে জোর করে ইসরায়েলে নেওয়া হয়েছে। এটি ইসরায়েলের অসংখ্য অন্যায় কর্মকাণ্ডের মতো মানবাধিকারের আরো একটি চরম লঙ্ঘন।’
স্টকহোমে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি যা নিয়ে ভয় পাই, তা হলো গণহত্যার সময় মানুষের নীরবতা।’
এদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো জানান, জাহাজে থাকা ফরাসি চার কর্মীকে আদালতের মুখোমুখি করা হবে। এর আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন, পাঁচজনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আদালতে মামলা হবে এবং মাত্র একজন স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করতে পারবেন।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফরাসি কূটনীতিকরা ইসরায়েলে থাকা ছয় ফরাসি নাগরিকের সঙ্গে দেখা করেছেন। এছাড়া, স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে অস্বীকার করার মধ্যে রয়েছেন ফরাসি-ফিলিস্তিনি রিমা হাসান।’
থুনবার্গের সাথে থাকা অন্য কর্মীরা ছিলেন ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রাজিল, তুরস্ক, সুইডেন, স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?