আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠান স্বীকার করেছে, ইয়েমেনের ওপর নিষ্ফল আক্রমণ মার্কিন অস্ত্রাগার খালি করে দিয়েছে। ইরনা’র বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ’ সতর্ক করে বলেছে- ইয়েমেনে দেশটির নিষ্ফল আক্রমণের পর মার্কিন গোলাবারুদের মজুদ হ্রাস পেয়েছে। এর মাধ্যমে সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সামরিক বিশেষজ্ঞ ম্যাকেঞ্জি ইগলেন এই প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি করা এক প্রতিবেদনে লিখেছেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান খোদ আমেরিকার জন্যই চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে এবং ওয়াশিংটন যে একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ পরিচালনা করতে অক্ষম তা স্পষ্ট হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে নৌ অভিযানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান অ্যাডমিরাল জেমস কিলবি প্রতিনিধি পরিষদের বাজেট নির্ধারণ কমিটিতে জোর দিয়ে বলেছেন, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান মার্কিন গোলাবারুদ উৎপাদন শিল্পকে মারাত্মকভাবে চাপে ফেলেছে।
এর আগে নিউ ইয়র্ক টাইমস মার্কিন গোলাবারুদের মজুদ মারাত্মকভাবে হ্রাস পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। আমেরিকার এই পত্রিকার মতে, মাত্র ৩০ দিনের ‘রাফরাইডার’ অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইয়েমেনের এক হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করেছে। এই অভিযানে ব্যয় হয়েছে একশ’ কোটি ডলারের বেশি।
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক থিংক ট্যাঙ্ক ডিফেন্স প্রায়োরিটিজ এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শেষ দিক থেকে শুরু করে বর্তমান ট্রাম্পের সময়ে গত দুই বছরেরও বেশি সময়ে ইয়েমেনে বোমা হামলায় সাতশ’ কোটি ডলারেরও বেশি অপচয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইয়েমেনের সামরিক বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুজিব শামসানও সম্প্রতি বলেছেন, ইয়েমেন খুব সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে মার্কিন স্টিলথ ফাইটার এফ-থার্টি ফাইভ সনাক্ত করেছে। এর মাধ্যমে ইয়েমেনের ক্ষমতা প্রদর্শিত হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?