পাকিস্তানের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় নিয়েছে। কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান সম্মত হয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনায় বসতে। দেশটির রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্তকে সম্ভাব্য সমঝোতার নতুন দিগন্ত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ১২ মে আদিয়ালা কারাগারে পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আলী খান ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং শেহবাজ শরিফের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব তুলে ধরেন। ইমরান খান তাতে সম্মতি দেন, তবে শর্তসাপেক্ষে।
ইমরান খান চান, আলোচনা হোক একান্ত গোপনীয় ও গণমাধ্যমের আওতার বাইরে। অতীতে অতিরিক্ত প্রচার ও রাজনীতিকরণে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় এবার তিনি সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন। পিটিআই সূত্র জানিয়েছে, আলোচনাটি হবে কৌশলী ও কূটনৈতিকভাবে সংবেদনশীল।
বিশ্বস্ত সূত্রগুলো জানায়, ইমরান খান চান আলোচনায় সেনাবাহিনীর পরোক্ষ ভূমিকা থাকুক এবং প্রয়োজনে সেনাপক্ষের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতেও পারেন।
সম্প্রতি জাতীয় পরিষদে দেওয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান জানান। পিটিআই দলটি তাতে ইতিবাচক সাড়া দেয়, কিন্তু জানিয়ে দেয়, ইমরান খানের সম্মতি ছাড়া কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণ সম্ভব নয়।
বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে পিটিআই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ব্যারিস্টার গওহর আলী খান বলেন, আলোচনার বিষয়বস্তু প্রকাশের এখতিয়ার তার নেই।
বিশ্লেষকদের ধারণা, আসন্ন নির্বাচন, কারাবন্দি পিটিআই নেতাদের মুক্তি এবং রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাই এই আলোচনার মূল এজেন্ডা হতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?