মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইয়েমেনভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ফের কেঁপে উঠেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৩ মে) একাধিক মিসাইল ছোড়ার ঘটনায় জেরুজালেম ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। টাইমস অব ইসরায়েল–এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে, সন্ধ্যায় হুতিরা ইসরায়েলের উদ্দেশে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করা গেলেও, আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটতে গিয়ে দু’জন ইসরায়েলি নারী আহত হন।
ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম জানায়, হোলন শহরে ৪০ বছর বয়সী এক নারী বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পড়ে গিয়ে আহত হন। তাঁকে ওল্ফসন মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে রামাত গানে ৬৫ বছর বয়সী এক নারী মাথায় আঘাত পান, তাকে ভর্তি করা হয় ইচিলভ মেডিকেল সেন্টারে।
হামলার সময় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল ও জেরুজালেমে সাইরেন বাজতে থাকে, আর মোবাইলে পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে দ্রুত আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, এরপর রাতে ইয়েমেন থেকে আরও একটি মিসাইল ছোড়া হয়। তবে সেটি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে না পড়ায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং সাইরেনও বাজানো হয়নি।
সূত্র আরও জানিয়েছে, একদিন আগে সোমবারও ইয়েমেন থেকে একটি মিসাইল ছোড়া হয়েছিল, যা ইসরায়েলের কাছাকাছি পৌঁছনোর আগেই পড়ে যায়। সম্প্রতি বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর ইসরায়েল পাল্টা জবাব হিসেবে হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে বিমান হামলা শুরু করে। সেই হামলা চালানোর এক সপ্তাহ পর হুতিরা এই পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় নেমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলে বিদেশি ফ্লাইট পরিচালনায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যে তাদের ফ্লাইট স্থগিত করেছে, যা দেশটির বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?