কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটক নিহতের ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে। এমন উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের তথ্যমন্ত্রী আজমা বোখারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন।
তিনি মোদিকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করে দাবি করেন, মোদির নেতৃত্বে কেবল ভারত নয়, গোটা বিশ্বেই অস্থিরতা বাড়ছে।
ডিজিপিআরের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজমা বোখারি বলেন, “পাহেলগাম হামলার সঙ্গে পাকিস্তানকে জড়ানোর প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকার অপচেষ্টা।”
একইসঙ্গে তিনি জানান, পাকিস্তান সাধারণ মানুষের প্রাণহানিতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছে এবং বর্বরোচিত এ হামলার কঠোর নিন্দাও জানিয়েছে।
আজমা আরও অভিযোগ করেন, “ভারতের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অতীতেও বারবার পাকিস্তানের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছে। তদন্তের আগেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, যাতে মূল সত্য আড়াল থাকে।”
এদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ভারতের ওড়িশা রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে অবস্থানরত ১২ জন পাকিস্তানি নাগরিককে সনাক্ত করে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন বলেন, “যারা স্বল্পমেয়াদি ভিসায় প্রবেশ করে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছে, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে।”
এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এবং কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিরতা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক স্বার্থে উত্তেজনামূলক ভাষা ব্যবহার এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক ইঙ্গিত।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?