মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

আক্রমণের ‘নিশ্চিত ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর

কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলার পর নয়াদিল্লির উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো ভারতীয় প্রচেষ্টার ‘নিশ্চিত ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে আজ শুক্রবার (২ মে) রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) সেনাবাহিনী প্রধান […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মে ২০২৫, ১১:৫৩

কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলার পর নয়াদিল্লির উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো ভারতীয় প্রচেষ্টার ‘নিশ্চিত ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে আজ শুক্রবার (২ মে) রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) সেনাবাহিনী প্রধান (সিওএএস) জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনিরের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ কর্পস কমান্ডারদের সম্মেলন (সিসিসি) অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২২ এপ্রিল ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের (আইআইওজেকে) পেহেলগামে হামলার পরবর্তী উত্তেজনার মধ্যে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। ঐ হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হন। ভারত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই এ ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেছে। তবে ইসলামাবাদ স্পষ্টভাবে এতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে এবং ‘বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্তে’ সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে।

এ হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যার মধ্যে রয়েছে সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করা, পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য ভিসা বাতিল করা এবং ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বন্ধ করা। প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান ভারতীয় কূটনীতিক ও সামরিক উপদেষ্টাদের বহিষ্কার করে, শিখ তীর্থযাত্রীদের বাদ দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা বাতিল করে এবং সীমান্ত বন্ধ করে দেয়।

সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনিরের সভাপতিত্বে সামরিক শীর্ষ নেতৃত্বের এই বিশেষ অধিবেশনে পাকিস্তান-ভারত অচলাবস্থা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগের ওপর আলোকপাত, পাশাপাশি বিরাজমান ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতির একটি বিশদ পর্যালোচনা করা হয়।

এ সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘যেকোনো আগ্রাসন বা দুঃসাহসিকতার বিরুদ্ধে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য অটল সংকল্প’ পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সেনাপ্রধান আসিম মুনির সশস্ত্র বাহিনীর ‘অটল পেশাদারিত্ব, দৃঢ় মনোবল ও আভিযানিক প্রস্তুতির’ প্রশংসা করেন এবং ‘যেকোনো মূল্যে স্বদেশ রক্ষার’ জন্য পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ঐক্যের ওপর জোর দেন। তিনি ‘সব ফ্রন্টে উচ্চতর সতর্কতা ও সক্রিয় প্রস্তুতির’ ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে বিশেষ করে পেহেলগাম হামলার পর জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতীয় নৃশংসতার তীব্রতা বৃদ্ধির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া ‘ভারতীয় দখলদার বাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের অব্যাহত লক্ষ্যবস্তু করার’ নিন্দা জানানো হয়।

আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ ধরনের অমানবিক ও অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ড কেবল আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করে এবং এজন্য একটি দৃঢ় ও আনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দৃশ্যমান হয়।’

পাকিস্তানের সেনা কমান্ডাররা ভারতের ‘রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য সংকটের ধারাবাহিক ব্যবহারের ধরনের’ বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তারা এটিকে ‘একটি পূর্বাভাসযোগ্য টেমপ্লেট অনুসরণের অভিযোগ করেন, যার মাধ্যমে (ভারতের) অভ্যন্তরীণ শাসন ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করা হয়’ বলে উল্লেখ করেন।

আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই ঘটনাগুলো প্রায়শই ভারতের স্থিতিশীল অবস্থার পরিবর্তনের জন্য নেওয়া একতরফা পদক্ষেপের সঙ্গে মিলে গেছে, যেমনটি দেখা গেছে ২০১৯ সালে, যখন ভারত একইভাবে পুলওয়ামা ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে (সংবিধানের) ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা (আধা-স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা) একতরফাভাবে পরিবর্তন করেছে।’

চলমান ঘটনাপ্রবাহের বিষয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বলেছে, পেহেলগাম হামলা ‘পশ্চিমাঞ্চলীয় যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের চলমান জাতীয় প্রচেষ্টা থেকে পাকিস্তানের মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার জন্য (ভারতের) ইচ্ছাকৃত কৌশলের অংশ বলে মনে হচ্ছে; দুটি ক্ষেত্রেই পাকিস্তান চূড়ান্ত ও টেকসইভাবে ভিত্তি অর্জন করছে।’

‘ভারতীয় প্রক্সি সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে এই ধরনের বিচ্যুতিমূলক কৌশল কখনোই সফল হবে না’, উল্লেখ করে আইএসপিআর।

সেনাবাহিনী আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, ভারত সিন্ধু পানি চুক্তিকে দুর্বল করার জন্য পেহেলগাম ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের একটি বিপজ্জনক প্রচেষ্টা, যা ২৪ কোটিরও বেশি পাকিস্তানির জীবন ও জীবিকা নির্বাহের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত অস্থিতিশীলতাও বৃদ্ধি করছে।’

এ ছাড়া শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের বৈঠকে ‘পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ভারতীয় সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি জড়িত থাকার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে’। এগুলোকে ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় করা কর্মকাণ্ড’ এবং ‘আন্তর্জাতিক নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন, যা সর্বজনীনভাবে অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

পাকিস্তানের দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে সেনাবাহিনী বলেছে, ‘ভারত সরকারের ইচ্ছাকৃত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা দৃঢ় সংকল্প ও স্বচ্ছতার সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে এবং (তাদের) পরাজিত করা হবে।’

বৈঠকটির শেষ পর্যায়ে সেনাপ্রধান আসিম মুনির ‘সমগ্র হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে জাতিকে রক্ষা করার কৌশলগত বাহিনীর আভিযানিক প্রস্তুতি, প্রতিরোধমূলক অবস্থান ও মনোবলের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা’ প্রকাশ করেন।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৪৮

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৪৮

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৪৮

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৪৮