পেহেলগামে ভয়াবহ হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের দামামা যেন বাজতে শুরু করেছে। কয়েকদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ রেখায় টানা গোলাগুলি—সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার মতো পরিস্থিতি এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা।
এই উত্তপ্ত প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের প্রধান বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকারের কাছে একটাই দাবি
—“জাতির প্রয়োজনে ইমরান খানকে মুক্ত করো, নইলে ঐক্যের মুখ দেখবে না দেশ”। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে পিটিআই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইমরান খানকে বাদ দিয়ে কোনো সর্বদলীয় বৈঠক নয়।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের সিনেটে পিটিআইয়ের পার্লামেন্টারি নেতা সিনেটর আলী জাফর বলেই দিয়েছেন,
“রাজনীতি এখন বিলাসিতা নয়, এখন সময় জাতিকে এক পতাকার নিচে আনতে হবে। আর সেই পতাকা হাতে তুলবেন ইমরান খান—এটা এখন সময়ের দাবি।”
আলী জাফর এক হাত নিয়েছেন ভারতকেও। মোদি সরকারকে সরাসরি নাৎসি ভাবাদর্শের ধারক বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“মিথ্যার বেসাতি করে যারা পাকিস্তানকে দোষ দিচ্ছে, তাদের নিজেদের হাত রক্তে ভেজা। পাকিস্তান বারবার সন্ত্রাসের শিকার হয়েছে—এটা ভারত মনে রাখুক।”
উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পেহেলগামে ২৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় দিল্লি ইসলামাবাদের মধ্যে ফের আগুন ছড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পুলওয়ামার পর এটিই সবচেয়ে বড় হামলা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এরপর থেকেই সীমান্তে গুলির লড়াই চলছে।
পিটিআই বলছে—এটা আর সাধারণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়, রাষ্ট্রের অস্তিত্ব প্রশ্নে। আর সে প্রশ্নে কারাবন্দি ইমরান খানকে এখন মুক্তি না দিলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। যুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে জাতি যার নেতৃত্ব চায়, তাকেই অবরুদ্ধ করে রাখার মানে হলো নিজের পতনকে ডেকে আনা।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?