কাশ্মীর ইস্যুতে আবারও আলোচনায় এলেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। সদ্য পেহেলগাম ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি ভারতের সেনাবাহিনীর তীব্র সমালোচনা করেছেন। আফ্রিদির মন্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
সম্প্রতি ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাম অঞ্চলে একটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলায় ২৬ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হন, এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই শহীদ আফ্রিদি কড়া ভাষায় ভারতের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন,
“কাশ্মীরে যদি ৮ লাখ সেনা মোতায়েন থাকার পরও এভাবে হামলা হয়, তবে তা ভারতের সেনাবাহিনীর অযোগ্যতা এবং অকার্যকারিতারই প্রমাণ।” তিনি এই মন্তব্যের মাধ্যমে ভারতের কাশ্মীর নীতির ব্যর্থতার দিকটিই তুলে ধরতে চেয়েছেন।
আফ্রিদির বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি মনে করেন এত বিশাল সংখ্যক সেনা নিয়োজিত থাকা সত্ত্বেও যদি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায়, তবে তা বড় ধরনের প্রশাসনিক ও সামরিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখ্য, কাশ্মীর ইস্যুতে শহীদ আফ্রিদি বরাবরই সরব এবং তার আগের মন্তব্যগুলোও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এবারও তিনি কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন।
কাশ্মীরের দীর্ঘদিনের সংকট নিয়ে বিশ্ববাসীর উদ্বেগ থাকলেও, এখনো কার্যকর কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। শহীদ আফ্রিদির মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা যখন সরব হন, তখন এই সংকটের মানবিক দিকটি আরও বেশি করে সামনে আসে। আন্তর্জাতিক মহলের উচিত কাশ্মীরের জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য উদ্যোগী হওয়া।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?