ইরানের বন্দর আব্বাসের শহীদ রাজায়ী বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশটির জনগণ ও সরকারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস, ইসলামিক জিহাদ ও লেবাননের হিজবুল্লাহ।
শনিবার পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনগুলো ইরানের প্রতি তাদের সহমর্মিতা প্রকাশ করে। হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়, “বন্দর আব্বাসের শহীদ রাজায়ী বন্দরে ঘটে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনায় আমরা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নেতৃত্ব, সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সংহতি জানাচ্ছি। আমরা হতাহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”
ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ আন্দোলনও একইভাবে ইরানিদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
এদিকে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে ইরানিদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে জানিয়েছে, “ইরানের শহীদ রাজায়ী বন্দরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা বিশ্বাস করি, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এই দুঃসময় কাটিয়ে উঠবে এবং জাতীয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।”
উল্লেখ্য, ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে এক হাজার কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত শহীদ রাজায়ী বন্দর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম কনটেইনার টার্মিনাল। এটি হরমুজ প্রণালির উত্তরে অবস্থিত এবং এ পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ সম্পন্ন হয়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বন্দরে এমন একটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?