বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলাই যেন ভারতের দুই মূর্খ নেতার চরিত্র

বাংলাদেশ নিয়ে কিছু বললেই হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় রাজনীতিবিদদের পিত্তি গলে। ভালো-মন্দ, যুক্তি-বিজ্ঞান, প্রতিবেশী সম্পর্ক কিংবা কূটনৈতিক সৌজন্য—কোনো কিছু বিবেচনা না করেই বাংলাদেশবিরোধী বিষোদ্গার যেন তাদের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এর জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দুই বিতর্কিত নেতা—ত্রিপুরার প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এই দুইজন এমন সব উগ্র, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য […]

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলাই যেন ভারতের দুই মূর্খ নেতার চরিত্র

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৭

বাংলাদেশ নিয়ে কিছু বললেই হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় রাজনীতিবিদদের পিত্তি গলে। ভালো-মন্দ, যুক্তি-বিজ্ঞান, প্রতিবেশী সম্পর্ক কিংবা কূটনৈতিক সৌজন্য—কোনো কিছু বিবেচনা না করেই বাংলাদেশবিরোধী বিষোদ্গার যেন তাদের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এর জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দুই বিতর্কিত নেতা—ত্রিপুরার প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

এই দুইজন এমন সব উগ্র, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা শুধু প্রতিবেশী দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ নয়—বরং সরাসরি হিন্দুত্ববাদী অহমিকার নগ্ন প্রকাশ।

প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা সম্প্রতি বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন সব কথা বলেছেন যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো দূরের কথা, সাধারণ কূটনৈতিক শালীনতারও চরম লঙ্ঘন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, ভারতের উচিত ‘বাংলাদেশের কিছু অংশ দখল করে নেয়া’। কারণ তার দাবি, ‘ওই অংশ সবসময় ভারতেরই হতে চেয়েছে’। তিনি আরো বলেন, এতে ভারতের ‘সাগরপথ পাওয়া সহজ হবে’ এবং ‘শত শত কোটি টাকা খরচ না করেও’ সমস্যার সমাধান হবে।

এই ধরনের মন্তব্য ভারতীয় আগ্রাসী মানসিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। প্রদ্যোৎ মাণিক্যদের কাছে ইতিহাসের সত্য, স্বাধীনতার ত্যাগ, ও জাতীয় মর্যাদা যেন মূল্যহীন। যারা নিজেদের “আদিবাসী স্বার্থ” রক্ষার নামে স্বাধীন বাংলাদেশকে টুকরো করার হুমকি দেয়, তারা আদতে হিন্দুত্ববাদী চেতনার মোড়কে জঙ্গিবাদী রাজনীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরে দেওয়া বক্তব্য ছিল একেবারেই বাস্তবভিত্তিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক। তিনি বলেন, “ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য স্থলবেষ্টিত, যাদের সমুদ্রপথ নেই—বাংলাদেশই তাদের জন্য একমাত্র সমুদ্রপথের সম্ভাব্য অভিভাবক।” তিনি কোনো হুমকি দেননি, বরং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক আন্তঃসম্পর্কের সম্ভাবনার কথাই বলেছেন। এমনকি তিনি এও বলেন, “নেপাল ও ভুটানও স্থলবেষ্টিত, এবং এই পুরো অঞ্চলে যদি আন্তঃযোগাযোগ গড়ে ওঠে, তাতে বাণিজ্য ও স্থিতিশীলতা—দুই-ই উপকৃত হবে।”

কিন্তু এই বক্তব্যের গভীরতা অনুধাবন না করে প্রদ্যোৎ মাণিক্য ও হিমন্ত বিশ্বশর্মা উল্টো রণচণ্ডী হয়ে উঠেছেন। তাদের মতো হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিবিদদের কাছে আঞ্চলিক সংহতি, কূটনৈতিক সৌজন্য, এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো—সবই যেন গালি।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা তো আরও একধাপ এগিয়ে ইউনূসের মন্তব্যকে “আপত্তিকর” এবং “নিন্দনীয়” বলে ঘোষণা দিয়ে ‘চিকেনস নেক’ করিডরের চারপাশে আরও শক্তিশালী রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরির ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিকল্প পথ তৈরি করতে হবে—যেন বাংলাদেশ নামক প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রয়োজনই না পড়ে।

এই সব বক্তব্য আসলে হিন্দুত্ববাদী পররাষ্ট্রনীতির অন্ধ চেহারা তুলে ধরে, যেখানে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সৌহার্দ্য নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ, সন্দেহ ও দখলের রাজনীতি চলে।

প্রদ্যোৎ মাণিক্যের মূর্খতা আরও চরমে পৌঁছায় যখন তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু নয়। শেখ মুজিবই ছিল একমাত্র বন্ধু।’ অর্থাৎ, বর্তমান বাংলাদেশ সরকার, জনগণ, এবং রাজনীতি—সবই তাদের চোখে শত্রু! অথচ বাংলাদেশ প্রতিটি দুর্যোগে ভারতকে সহায়তা করেছে, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে, সীমান্তে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

এই দুই নেতার বক্তব্য শুধু প্রতিবেশী বাংলাদেশ নয়—ভারতের নিজস্ব যুক্তিবোধ ও রাজনীতিকেও ছোট করেছে। একদিকে যখন ড. ইউনূসের মতো আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তি আঞ্চলিক অগ্রগতির রূপরেখা উপস্থাপন করছেন, তখন হিমন্ত-প্রদ্যোৎরা চিৎকার করে নিজেদের উন্মত্ততাকে উপহাসে পরিণত করছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভূখণ্ড ও মর্যাদা নিয়ে কথা বলার আগে ভারতের এসব মূর্খ নেতাদের জেনে রাখা উচিত—বাংলাদেশ কোনো দয়া করা দেশ নয়। এটি রক্তে কেনা স্বাধীনতা, এখানে কারও হুমকি-ধমকিতে মাথা নোয়ানোর সংস্কৃতি নেই।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৪

আন্তর্জাতিক

সাতসকালে বন্দুকযুদ্ধ, ভারতীয় দুই সেনাসহ নিহত ১৪

সাতসকালে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় দুই সেনাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযানে যান। এসময় তাদের সঙ্গে মাওবাদীদের ভয়ঙ্কর বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এতে অন্তত ১২ জন মাওবাদী এবং দুই সেন সদস্য নিহত হন। এনকাউন্টার চলাকালীন দুই জওয়ান প্রাণ হারানোর পাশাপাশি অপর দু’জন […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪:১২

সাতসকালে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় দুই সেনাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযানে যান। এসময় তাদের সঙ্গে মাওবাদীদের ভয়ঙ্কর বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

এতে অন্তত ১২ জন মাওবাদী এবং দুই সেন সদস্য নিহত হন।

এনকাউন্টার চলাকালীন দুই জওয়ান প্রাণ হারানোর পাশাপাশি অপর দু’জন সেনা সদস্যও আহত হয়েছে। তাদরেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা কর্মীদের একটি দল যখন মাওবাদী বিরোধী অভিযান চালাচ্ছিলেন, তখন সকালের সময় ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যান এলাকার একটি ঘন জঙ্গলে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বন্দুকযুদ্ধে ১২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে।”

তিনি যোগ করেন, যে এলাকায় একটি বিরতিহীন গুলি বিনিময় এখনও চলছে, আরও বিশদ বিবরণের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ, এবং কর্তৃপক্ষ উচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, বস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পি, নিশ্চিত করেছেন যে এনকাউন্টারে নিহত একজন জওয়ান ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং অপরজন মাওবাদী বিরোধী অভিযানে বিশেষজ্ঞ স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) রাজ্য-স্তরের সদস্য ছিলেন।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৪

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভারতের জন্য জটিলতা তৈরি করেছে: শশী থারুর

ভারতের কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও পার্লামেন্ট সদস্য শশী থারুর বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ভারতের জন্য কিছুটা জটিলতা তৈরি করেছে। তিনি মনে করেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের উচিত নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা। সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে এক বইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২২:১৭

ভারতের কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও পার্লামেন্ট সদস্য শশী থারুর বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ভারতের জন্য কিছুটা জটিলতা তৈরি করেছে। তিনি মনে করেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের উচিত নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে এক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শশী থারুর বাংলাদেশ ইস্যুকে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিবেশী দেশটিতে যদি শত্রুভাবাপন্ন সরকার ক্ষমতায় আসে, তবে ভারত বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। আমাদের উচিত, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সম্প্রদায়ের প্রতি উদ্বেগের চেয়ে বাংলাদেশের জনগণের সার্বিক কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা।

তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট দেশ কে শাসন করবে, তা ভারত নির্ধারণ করতে পারে না। বরং আমাদের উচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করার কৌশল রপ্ত করা।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে শশী থারুর বলেন, আমি মনে করি না যে তাদের শত্রুভাবাপন্ন বলা যায়। তবে একই সঙ্গে আমাদের কিছু সতর্কতাও বজায় রাখতে হবে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই নিবিড়ভাবে, সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কারণ তাদের অবস্থান আমাদের ঠিক পাশেই।

শশী থারুর মনে করেন, ভারতের উচিত স্পষ্টভাবে জানানো যে তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চেয়ে পুরো দেশের মানুষের কল্যাণে বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ভারতের উচিত এটা বোঝানো যে, তারা কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর চেয়ে সমগ্র বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চায়।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৪

আন্তর্জাতিক

আর গুঞ্জন নয়, দিল্লি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো শেখ হাসিনাকে

গেল বছর ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন সাবেক পতিত শেখ হাসিনা।সেসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মুখ ফিরিয়ে নিলেও আশ্রয় দেয় ভারত। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর বলছে ভারত শেখ হাসিনার জন্য নিশ্চিত করেছে সাদা পোশাকের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী। শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর দুই দিনের মধ্যে তাকে সড়িয়ে নেওয়া হয় দিল্লিতে। […]

আর গুঞ্জন নয়, দিল্লি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো শেখ হাসিনাকে

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ মার্চ ২০২৫, ১৪:৪৭

গেল বছর ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন সাবেক পতিত শেখ হাসিনা।সেসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মুখ ফিরিয়ে নিলেও আশ্রয় দেয় ভারত।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর বলছে ভারত শেখ হাসিনার জন্য নিশ্চিত করেছে সাদা পোশাকের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী।

শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর দুই দিনের মধ্যে তাকে সড়িয়ে নেওয়া হয় দিল্লিতে। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করে আসছিলেন এই শেখ হাসিনা। তবে, এবার সেখান থেকেও তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঠিক কি কারণে আর কোথায় সরানো হলো হাসিনাকে?

এর আগেও দিল্লি থেকে হাসিনাকে সরিয়ে নেওয়ার গুঞ্জন উঠেছিলো। তবে তখন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্যা প্রিন্ট তাদের একটি নিউজে হাসিনার দিল্লির অবস্থান তুলে ধরে। তাদের সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী হাসিনা দিল্লির একটি বিশেষ এলাকার নিরাপত্তা বেষ্টিত একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয় হাসিনা যে এলাকায় বসবাস করছেন সেখানে ভারতীয় বর্তমান ও সাবেক অনেক এমপি মন্ত্রীদের বাড়ি রয়েছে।

তবে এবার আর গুঞ্জন নয়, বিশ্বস্ত সূত্রের খবর শেখ হাসিনাকে নিরাপত্তার ইস্যুতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে দিল্লি থেকে।

দিল্লির একটি জাতীয় দৈনিকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দিল্লি থেকে সরিয়ে হাসিনাকে স্ট্যান্ড কমান্ডের একটি নিরাপদ জোনে রাখা হয়েছে। যদিও ভারতীয় প্রসাশনের কেউ এ বিষয়ে কোন স্পষ্ট বক্তব্য এখনো পর্যন্ত দেয়নি।

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
poll_title
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের আহ্বান

জয় ও নিঝুম মজুমদারের এই আহ্বানকে দেশবিরোধী বলে মনে করেন ?

মোট ভোট: ১১৫৪