বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশিদের মেডিকেল ভিসা না দিয়ে চীনের জন্য পথ খুলে দিয়েছে ভারত

ভারতের দেওয়া মেডিকেল ভিসার সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের চিকিৎসা পর্যটনে পরিবর্তন আসছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসছে চীন, দেশটি বাংলাদেশিদের জন্য নতুন চিকিৎসা সুবিধার প্রস্তাব দিচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ছয়টি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি চীনের জন্য বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে। দেশটি চিকিৎসা ভ্রমণের সুযোগ সম্প্রসারিত করে বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি […]

বাংলাদেশিদের মেডিকেল ভিসা না দিয়ে চীনের জন্য পথ খুলে দিয়েছে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ মার্চ ২০২৫, ১৭:০০

ভারতের দেওয়া মেডিকেল ভিসার সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের চিকিৎসা পর্যটনে পরিবর্তন আসছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসছে চীন, দেশটি বাংলাদেশিদের জন্য নতুন চিকিৎসা সুবিধার প্রস্তাব দিচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ছয়টি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি চীনের জন্য বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে। দেশটি চিকিৎসা ভ্রমণের সুযোগ সম্প্রসারিত করে বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে তুলতে শুরু করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ইস্যু করা ভিসার অধিকাংশই ছিল সাশ্রয়ী বেসরকারি চিকিৎসার জন্য। এটি প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত রাখতে এবং অঞ্চলে চীনের প্রভাব সীমিত রাখতে ভূমিকা রেখেছিল।

এই বিষয়ে চার বাংলাদেশি সূত্রের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘শূন্যতা থাকলে কেউ না কেউ এসে সেটা পূরণ করবেই। কিছু মানুষ এখন থাইল্যান্ড ও চীনে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন।’ গত বছরের আগস্ট থেকে ভারত প্রতিদিন এক হাজারেরও কম বাংলাদেশিকে চিকিৎসা ভিসা দিচ্ছে, যেখানে আগে এই সংখ্যা ছিল দৈনিক ৫ থেকে ৭ হাজার।

ভিসার সংখ্যা কমেছে মূলত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণে। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের দীর্ঘদিনের মিত্র শেখ হাসিনার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

দেশে ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শেখ হাসিনা গত আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ভারতে চলে যান। এরপর বাংলাদেশ তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য ফেরত চাইলেও ভারত বাংলাদেশের অনুরোধ উপেক্ষা করছে।

এর আগে, ২০২৩ সালে ভারত বাংলাদেশিদের জন্য ২০ লাখেরও বেশি ভিসা ইস্যু করেছিল, যার বেশির ভাগই চিকিৎসা ভিসা ছিল। কিন্তু বর্তমানে ভারতের নিষ্ক্রিয়তার কারণে চীনের জন্য এক আকর্ষণীয় সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এ মাসের শুরুতেই একদল বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশ সফর করেছে। চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এটিকে, ‘বাংলাদেশের চিকিৎসা পর্যটন বাজারের সম্ভাবনা অন্বেষণের’ উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এ ছাড়া, অন্তত ১৪টি চীনা প্রতিষ্ঠান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশে ২৩ কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা এই সময়ে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশের কার্যত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা ড. ইউনূস চলতি মাসেই চীন সফরে যাচ্ছেন এবং প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা আছে।

ভারতের সঙ্গে ২০২০ সালের হিমালয় সীমান্ত সংঘর্ষের পর সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করলেও, চীন এখন ঢাকায় একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল’ স্থাপনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি, বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসা গ্রহণের প্রক্রিয়াও সহজ করছে বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে চীন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতাকে ক্রমাগত গভীর করতে এবং নতুন সুযোগ অন্বেষণ করতে ইচ্ছুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয় এবং তৃতীয় পক্ষের কারণে প্রভাবিতও হবে না।’ এ বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

চারটি সূত্র জানিয়েছে, ভারতের ভিসা প্রক্রিয়ার ধীর গতি শুধু বাংলাদেশের সরকারের নয়, সাধারণ জনগণের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে। ফলে ঢাকার সমর্থন দীর্ঘ সময়ের জন্য হারানোর আশঙ্কা আছে দিল্লির, বিশেষ করে শেখ হাসিনার দল দ্রুত ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা না থাকায়।

ভিসা না দেওয়ার কারণ হিসেবে, ভারত বারবার ঢাকায় তাদের দূতাবাসে কর্মী সংকটের কারণ দেখিয়েছে। যদিও কূটনীতিকরা বলেছেন, ভারতীয় কর্মকর্তারা কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন।

গত আগস্টে হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। ঢাকায় ভারতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে হামলার পর নয়া দিল্লি তাদের অনেক কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেয়।

ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা চায়, বাংলাদেশি রোগীরা ভারতে চিকিৎসার সুযোগ পাক, তবে বাংলাদেশে ‘স্থিতিশীলতা’ ফিরে আসার পরই ভিসা অফিসে কর্মী বাড়ানো হবে।

এক ভারতীয় কর্মকর্তা বলেন, চিকিৎসা ভিসার সংখ্যা কমানোর আরেকটি কারণ হলো, কিছু ক্ষেত্রে এগুলোর অপব্যবহার হচ্ছিল। কিছু লোক এসব ভিসার মাধ্যমে ‘বাংলাদেশের কঠিন পরিস্থিতি থেকে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।’

ভারতের এই ভিসা জটিলতা এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন বাংলাদেশে ভারতের ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ভারত বাংলাদেশকে ৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ঋণ সুবিধা দিয়েছে।

এই অর্থ রেল সংযোগ, বন্দরভিত্তিক ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং প্রতিরক্ষা কেনাকাটার মতো ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এ মাসে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশে তাদের কিছু প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং উভয় দেশ যৌথভাবে ‘প্রকল্প পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাস’ নিয়ে আলোচনা করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে।

ভারত এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো রাজনীতিকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করেনি, তবে চীনের আমন্ত্রণে সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) এক সাবেক মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বেইজিং সফর করেছে।

এই সপ্তাহে ড. ইউনূস চীনা রাষ্ট্রদূত ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং বলেছেন, বাংলাদেশ তার বাজার চীনের জন্য আরও উন্মুক্ত করতে প্রস্তুত। চীনা সৌরশক্তি প্রতিষ্ঠান লুঙ্গি গ্রিন এনার্জি বাংলাদেশে অফিস স্থাপন ও উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে।

ওয়েন বিএনপির শীর্ষ এক নেতার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন এবং এটিকে ‘পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয় নিয়ে আলোচনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তবে বিস্তারিত জানাননি। অন্য দিকে, ড. ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক আগামী মাসে থাইল্যান্ডে একটি সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এক ভারতীয় বিশ্লেষক বলেছেন, চীনের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ছে। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক হ্যাপিমন জেকব বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন চলছে, যেখানে চীন প্রধান শক্তিগুলোর একটিতে পরিণত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি দক্ষিণ এশীয় দেশে ভারতের ঐতিহ্যগত প্রভাব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।’

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৯৮

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৯৮

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৯৮

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৩৯৮