ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের তিক্ত শত্রুতা থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা এবং মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হিন্দুপ্রধান দেশটি যে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে, তা বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার মুখে পড়েছে।
এর প্রতিক্রিয়ায়, শুধু বাংলাদেশ নয়, অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোও ভারতের বিরুদ্ধে বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা বাতিলের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমিরাতের সরকার ভারতীয় পর্যটকদের ভিসা বাতিলের কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে, যা ভারতীয়দের জন্য একটি বড় আঘাত।
১০ ডিসেম্বর ভারতের গণমাধ্যম “টাইমস অব ইন্ডিয়া” প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয়দের ভিসা প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে এখন নতুন নীতি কার্যকর হওয়ায় ভিসা বাতিলের হার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নীতির ফলে অসংখ্য ভারতীয় পর্যটক হতাশা ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
আমিরাতের নতুন ভিসা নীতিতে বলা হয়েছে, আগের মতো ভারতীয়রা সহজে ভিসা পাবে না। এখন শুধুমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া এবং নির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের মাধ্যমে তারা ভিসা পাবে। ভারতের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান আমিরাতের মুসলিম জনসাধারণের সহানুভূতির প্রতিফলন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এছাড়াও তাদেরকে বিমানের টিকিটের কপি বাধ্যতামূলক জমা দিতে হবে। কেউ যদি আরব আমিরাতে আত্মীয়র বাসায় আসতে চায়। তবে তাকে উপযুক্ত ও নির্দিষ্ট প্রমাণ দিয়ে তারপর দেশটির বিবেচনার মধ্য দিয়ে আসতে হবে।
মধ্য প্রাচ্যের এমন ভিসা নীতিতে ভারতের অসহনীয় লোকসান হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয়রা। কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাতে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আয় হয় তাদের। ফলে নতুন ভিসা নীতিতে ভারতীয়দের মাথায় হাত!
এই নতুন নিয়মে ভারতীয় পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে এবং তারা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন। ভারতে ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বে উত্তেজনা ও বয়কটের কণ্ঠস্বর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে নতুন চাপ তৈরি হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজত্ব করা ভারত দেশটি এখন সবার কাছে শত্রুতে পরিনত হচ্ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?