যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শতভাগ বিজয়’ হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন ইঙ্গিত দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতার মাধ্যমে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ব্যবহার করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নিজেদের প্রভাব আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে।
বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায়, প্রণালিটি নিয়ন্ত্রণ করে তেহরান কার্যত বিশ্ববাজারকে চাপের মুখে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের কৌশলগত সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে, সীমিত সামরিক শক্তি দিয়েও তারা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করতে পারে। পাশাপাশি যুদ্ধকালীন সময়েও ইরান উচ্চমূল্যে তেল বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে।
ভবিষ্যতে এই প্রণালিতে টোল আরোপের প্রস্তাব আরও উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদি তা বাস্তবায়িত হয়, তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন চাপ সৃষ্টি হবে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের ঘোষিত ‘বিজয়’-এর আড়ালে ইরানের কৌশলগত অর্জনই বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?