ইরানকে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, একটি ‘প্রকৃত চুক্তি’ সম্পূর্ণরূপে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের ভেতরে ও আশেপাশে নিজেদের অবস্থানে অটল থাকবে। দাবি মানা না হলে ইরানকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে যা বিশ্ব আগে কখনও দেখেনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বার্তা দেন।
পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো কারণে কাঙ্ক্ষিত চুক্তিটি না হয়, তবে গোলাগুলি শুরু হবে। তিনি একে বর্ণনা করেছেন ‘আগে কেউ দেখেনি এমন আরও বড়ো, আরও ভালো এবং আরও শক্তিশালী’ আক্রমণ হিসেবে।
ট্রাম্প বলেন, সব মার্কিন জাহাজ, বিমান এবং সামরিক কর্মী, অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রশস্ত্রসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু ইরানের ভেতরে ও আশেপাশে অবস্থান করবে। আমাদের শত্রুরা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তাদের প্রাণঘাতীভাবে দমন ও ধ্বংস করতে আমাদের বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার পোস্টে দুটি প্রধান শর্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সেগুলো হলো- ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না এবং বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অবশ্যই উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে।
ট্রাম্প দাবি করেন, এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক আগেই সমঝোতা হয়ে গিয়েছিলো, যদিও এর বিপরীতে অনেক মিথ্যা বাগাড়ম্বর করা হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে ট্রাম্প আরও লেখেন, আমাদের মহান সামরিক বাহিনী বর্তমানে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছে ও বিশ্রাম নিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তারা তাদের পরবর্তী বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। আমেরিকা ফিরে এসেছে!
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?