নতুন বিপদে পড়তে যাচ্ছে ইরান। দেশটির পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ বোধ করছেন না বিদেশি কর্মীরা। ধাপে ধাপে বিভিন্ন কেন্দ্র ত্যাগ করছেন তারা। সর্বশেষ ইরানের একটি পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ১৭৫ জন রুশ কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে এর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। আর্মেনিয়ায় অবস্থিত রুশ দূতাবাস জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রোসাটম কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য মস্কো আর্মেনিয়ার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আর্মেনিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন মোট ৫০৯ জন রুশ নাগরিক।
জানা গেছে, বুশেহর কেন্দ্রের ওই কর্মীরা নুরদুজ-আগারাক সীমান্ত দিয়ে আর্মেনিয়ায় প্রবেশ করেন এবং সোমবার একটি বিশেষ ফ্লাইটে মস্কোর উদ্দেশে রওনা হন।
এদিকে রোববার রোসাটমের প্রধান অ্যালেক্সেই লিখাচেভ বলেন, বুশেহরে কর্মরত বেশিরভাগ রুশ নাগরিককে সফলভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি যারা রয়েছেন তাদের আগামী সপ্তাহে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি ইরানের তেল ‘নিয়ে নিতে’ চান। তবে মার্কিন জনগণ যুদ্ধের সমাপ্তি দেখতে চায়। এজন্য তিনি তা করছেন না। সোমবার (০৬ এপ্রিল) দ্য পলিটিকোর বরাতে ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সোমবার হোয়াইট হাউসে বার্ষিক ইস্টার এগ রোল অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার ইচ্ছা হলে আমি তেল রেখে দিতাম। কিন্তু আমি দেশের মানুষকে খুশি রাখতেও চাই।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?