কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে না। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে এমন দাবি করেছেন। তেহরান মনে করে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য ওয়াশিংটনের প্রস্তুতিতে ঘাটতি আছে।
রয়টার্সের বরাত দিয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের কাছে থেকে যুদ্ধ বন্ধের পরিকল্পনার রূপরেখা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন ওই সরকারি কর্মকর্তা। প্রস্তাবে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা উল্লেখ আছে।
তেহরান প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। ওই কর্মকর্তা জানান, তেহরান কোনো চাপের মুখে বা সময়সীমার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য নয়।
এদিকে প্রস্তাবিত পরিকল্পনার রূপরেখা নিয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি হয়নি পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি আলজাজিরাকে বলেছেন, ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অথবা ১৫ দফা নিয়ে কিছু প্রতিবেদন নজরে এসেছে। আমরা সেগুলো নিয়ে কোনো মন্তব্য করছি না। তবে শান্তির প্রক্রিয়া চলমান।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক্সে দেওয়া একটি পোস্টের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, সংস্থাটি হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন ‘অপারেটিং কন্ডিশন’ বা পরিচালনার শর্তাবলি কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। রোববার আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, পারস্য উপসাগরে নতুন শৃঙ্খলার জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষ ঘোষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।
আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।’ জলপথটি দ্রুত খুলে দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া হুমকির মধ্যে আইআরজিসি তাদের অবস্থান জানাল।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?