কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে আল-আহমাদি এলাকায় কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন পরিচালিত একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
এক্সে দেওয়া পোস্টে বলা হয়, এই হামলার ফলে শোধনাগারের ‘একাধিক কার্যকরী ইউনিটে’ আগুন ধরে যায়, তবে কোনো কর্মী আহত হননি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের মিনা আল-আহমাদি শোধনাগার—যা কুয়েত শহরের দক্ষিণে প্রায় ২৮ মাইল দূরে একটি প্রধান তেল শোধনাগার ও রপ্তানি কেন্দ্র—শুক্রবার ভোরে ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। হামলার ফলে কার্যরত ইউনিটে আগুন ধরে যায়, তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে ইতোমধ্যে জরুরি সেবা ও ফায়ার সার্ভিসের দল পাঠানো হয়েছে।
এর আগে উপসাগরীয় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কুয়েতের আকাশসীমায় ঢোকা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে কাজ করছে, তথ্যটি জানিয়েছে কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা।
এদিকে কুয়েত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরে তেহরান দেশটির একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি শোধানাগার প্ল্যান্টে হামলা চালায়। উপসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ জানিয়েছে।
কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফাতিমা আব্বাস জওহর হায়াত এক্সে জানান, এই হামলায় প্ল্যান্টের কিছু অংশে ‘সামগ্রীগত ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?