ইরান এবং হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও রকেট হামলার মুখে বিপাকে ইসরায়েল। দেশটিতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থেকে সাইরেন বেজেই চলেছে। ইসরায়েলি রেডিওর খবরে বলা হয়, আপার গ্যালিলি অঞ্চলে বারবার সাইরেনের শব্দ শোনা যাচ্ছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের দিকে বৃহস্পতিবার ইরান অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে চ্যানেল ১২। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর ইসরায়েলের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে হামলার আশঙ্কায় সাইরেন বেজে ওঠে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন দাবি করেছে, ইরানের হাতে সীমিত সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা অবশিষ্ট রয়েছে–মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের কয়েক মিনিটের মধ্যেই ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বন্দরনগরী হাইফায় আঘাত হানে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস থেকে দেয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে ‘স্বল্পসংখ্যক’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা অবশিষ্ট রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর সক্ষমতা ‘নাটকীয়ভাবে কমে গেছে’।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তবে তার মতে, সংঘাতটি ধীরে ধীরে শেষের দিকে এগোচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা শুরু করার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও নিশানা বানানো হয়েছে। এসব হামলায় হতাহতের ঘটনা যেমন ঘটেছে, তেমনি অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?