ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, নিমিটজ-ক্লাস বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ’ (CVN 77) খুব শীঘ্রই এই অঞ্চলে মোতায়েন করা হতে পারে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় রণতরিটিকে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরি অংশ নিচ্ছে। তবে ‘বুশ’ আগের দুটি রণতরির কোনো একটির স্থলাভিষিক্ত হবে, নাকি তৃতীয় রণতরি হিসেবে তাদের সঙ্গে যুক্ত হবে—সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও জোরদার করতে বেশ কিছু সামরিক বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। যদিও একই সময়ে তিনি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখার দাবিও করেছেন। তবে সেই আলোচনার বর্তমান অবস্থা কী, তা এখনও অস্পষ্ট।
এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ তার স্ট্রাইক গ্রুপসহ দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সক্ষমতা অর্জনে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ (COMPTUEX) সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে রণতরিটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থান করলেও দ্রুতই এটি ভূমধ্যসাগর হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অভিমুখে রওনা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এই অঞ্চলে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড অবস্থান করছে। নতুন এই রণতরি যুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?