জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে চীনসহ কয়েকটি দেশকে হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ আহ্বানে চীন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়া দেয়নি। তবে এখন পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে চীনের এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
বেইজিংয়ে অবস্থানরত আলজাজিরার সাংবাদিক ক্যাটরিনা ইউ সম্ভাব্য তিনটি কারণ খুঁজে বের করেছেন। প্রথমত, ট্রাম্পের হুমকির কাছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নতি স্বীকার করার কোনো ইতিহাস নেই। গত বছর শুল্ক বিরোধের সময়ও এমনটা দেখা গেছে। ট্রাম্প চীনের ওপর ১০০ শতাংশের বেশি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। বেইজিং তখন খুব সরলভাবে বলেছিল, ‘ঠিক আছে’। অর্থ্যাৎ, দুই দেশের মধ্যে শুল্ক বাড়তে দিয়েছিল।
দ্বিতীয়ত, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপের সমালোচনা করছে চীন। তারা বারবার উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, ‘শক্তি প্রয়োগ সমাধানের অংশ নয়।’ তাই বেইজিং হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে- এটা আশা করা কঠিন।
ক্যাটরিনা ইউয়ের মতে শেষ কারণটি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের প্রেক্ষাপট। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চীনের জাহাজ এখনো চলাচল করছে। প্রতিবেদনগুলোর এই দাবি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক খুবই ভালো। ইরানের তেলের বড় ক্রেতাও চীন। এই সম্পর্ক ও জাহাজ চলাচল করতে পারার দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে চীনের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সম্ভাবনা আরো কম।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?