বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তেল রপ্তানি বাড়াল ইরান

আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। তবে এ প্রণালি দিয়ে চীনে প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে দেশটি। গতকাল বুধবার এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সিএনবিসি। স্যাটেলাইট চিত্রের সাহায্যে জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা সামির মাদানী গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর […]

হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তেল রপ্তানি বাড়াল ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ মার্চ ২০২৬, ২২:১২

আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। তবে এ প্রণালি দিয়ে চীনে প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে দেশটি। গতকাল বুধবার এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সিএনবিসি।

স্যাটেলাইট চিত্রের সাহায্যে জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা সামির মাদানী গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কমপক্ষে এক কোটি ১৭ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি করেছে, যার সবকটি চীনে পাঠানো হয়।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করা হলে আক্রমণ করার হুমকি দেয়। এরপরই অনেক জাহাজ ‘অন্ধকারে’ চলে যায়।

শিপিং গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহকারী কেপলারের অনুমান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত এক কোটি ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রণালি দিয়ে গেছে। কেপলারের অপরিশোধিত তেল বিশ্লেষক নওয়ে খিন সো বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের অপরিশোধিত তেলের প্রধান ক্রেতা চীন। এজন্য দেশটির উৎপাদিত তেলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চীনে যেতে পারে। অবশ্য এ জাহাজগুলোর চূড়ান্ত গন্তব্য নিশ্চিত করা ক্রমেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তবে ইরানের তেল আমদানির বিষয়ে চীনের জাতীয় জ্বালানি প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। গত মাসে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এ সংকীর্ণ জলপথে জাহাজ ধীরগতিতে চলাচল করছে। জাহাজগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবরুদ্ধ জলপথ এড়িয়ে চলেছে।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার মতে, যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অন্তত ১০টি জাহাজ তেহরানের আক্রমণের শিকার হয়। এতে অন্তত সাতজন নাবিক নিহত হন।

গত সোমবার সিএনবিসির এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী তেল ট্যাংকারগুলোকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।

সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে যায়। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, প্রণালির কাছে আটকে থাকা জাহাজগুলোকে কিছুটা সাহস দেখিয়ে চ্যানেলটি অতিক্রম করতে হবে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তাদের (ইরান) কোনো নৌবাহিনী নেই। আমরা তাদের সব জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছি।

ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১৫ মাইল দূরে খার্গ দ্বীপ টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরে দেশটির প্রধান তেল রপ্তানিতে ব্যবহার হয়ে আসছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি করা মোট তেলের ৯০ শতাংশ এ টার্মিনাল থেকে পরিচালনা করা হয়।

বর্তমানে ইরান হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে ওমান উপসাগরের পাশে জাস্ক তেল ও গ্যাস টার্মিনালে আবার জাহাজ লোড করা শুরু করেছে, যা অপরিশোধিত তেলের চালানে অতিরিক্ত ক্ষমতা যোগ করতে পারে।

ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের মতে, গত পাঁচ বছরে পঞ্চমবারের মতো একটি ইরানি জাহাজ ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল লোড করছিল। জাস্কে নতুন তৎপরতা তেহরান হরমুজ প্রণালির বিকল্প অনুসন্ধান করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি রপ্তানির জন্য কতটা কার্যকর রুট হিসেবে কাজ করতে পারে, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

ওমান সাগরে ইরানের একমাত্র অপরিশোধিত তেল রপ্তানি কেন্দ্র এ জাস্ক টার্মিনালটি হরমুজ প্রণালির বিকল্প বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এটি ততটা যুগোপযোগী না হওয়ায় খুব কমই ব্যবহার করা হয়েছে।

ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সামির মাদানী বলেন, দীর্ঘ দূরত্বে তেল পরিবহনের জন্য নির্মিত প্রথম শ্রেণির বড় অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ লোড করতে ১০ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এটি লজিস্টিক সুবিধার দিক থেকে ভালো নয়। সে তুলনায় খার্গ দ্বীপে একটি ভিএলসিসি লোড করতে এক থেকে দুদিন সময় নেয়।

যুদ্ধের মধ্যেই তেহরান চীনে তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর আগের তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল তেল চীনে বেশি রপ্তানি করছে।

কেপলারের সোর মতে, ইরান ফেব্রুয়ারিতে ২১ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছিল, যা ২০১৮ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। সম্ভাব্য জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি কমাতে বেইজিং মজুত সংগ্রহ শুরু করলে সেগুলো সবই চীনের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল।

কাস্টমস তথ্য দেখিয়েছে, বছরের প্রথম দুই মাসে বেইজিং তেল মজুত বাড়িয়েছে। অপরিশোধিত তেল আমদানি গত বছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে দেশটি।

কেপলারের মতে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ইরান ৩৭ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল লোডিং করেছে, যা রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, বছরের পর বছর ধরে চীন বিশাল পরিমাণে অপরিশোধিত তেলের মজুত তৈরি করেছে, জানুয়ারি পর্যন্ত আনুমানিক এক দশমিক দুই বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত জমা করেছে, যা তিন-চার মাসের চাহিদা পূরণ করতে পারে।

এ বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সরবরাহ উৎসÑভেনেজুয়েলা এবং ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করার পর থেকে মজুতের পরিমাণ বৃদ্ধির তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক হামলায় আটক করে এবং ফেব্রুয়ারির শেষদিনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭২৭

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭২৭

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭২৭

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭২৭