শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরানের ২০ হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার

ইরানের তৈরি শাহেদ সিরিজের ‘কামিকাজে’ ড্রোন আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও জ্বালানি সাশ্রয়ী ইঞ্জিন, রাডার ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতা এবং বিস্ফোরক বহনের সক্ষমতার কারণে এসব ড্রোন দ্রুতই সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার খরচে তৈরি এসব ড্রোন বিপুল […]

ইরানের ২০ হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:২০

ইরানের তৈরি শাহেদ সিরিজের ‘কামিকাজে’ ড্রোন আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও জ্বালানি সাশ্রয়ী ইঞ্জিন, রাডার ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতা এবং বিস্ফোরক বহনের সক্ষমতার কারণে এসব ড্রোন দ্রুতই সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার খরচে তৈরি এসব ড্রোন বিপুল সংখ্যায় ব্যবহার করলে প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহজেই চাপে ফেলা সম্ভব।

শাহেদ-১৩১ ও শাহেদ-১৩৬ মূলত একমুখী বা আত্মঘাতী আক্রমণকারী ড্রোন, যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে বিস্ফোরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান এই ড্রোনকে তাদের প্রতিরক্ষা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। শত শত মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে এগুলো সামরিক ঘাঁটি, তেল শোধনাগার এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলা চালাতে সক্ষম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ড্রোনগুলোর প্রধান শক্তি উন্নত প্রযুক্তি নয়, বরং একসঙ্গে বিপুল সংখ্যায় ব্যবহারের কৌশল। ইরান অনেকগুলো ড্রোন একযোগে পাঠিয়ে প্রতিপক্ষের রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখে। এর ফলে পরবর্তী ধাপে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো তুলনামূলক সহজ হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ড্রোন ব্যবহার করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—যেমন প্যাট্রিয়ট বা থাড—এসব ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শাহেদ ড্রোনের ৯০ শতাংশের বেশি ভূপাতিত করতে পেরেছে। অন্য কিছু দেশের দাবি অনুযায়ী এই সাফল্যের হার ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত।

তবে এখানেই রয়েছে একটি বড় অর্থনৈতিক বাস্তবতা। মাত্র ২০ হাজার ডলারের একটি ড্রোন ধ্বংস করতে প্রায় ৪০ লাখ ডলারের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। ফলে অধিকাংশ ড্রোন ধ্বংস হলেও সামগ্রিকভাবে আক্রমণকারী পক্ষের জন্য এটি কৌশলগতভাবে লাভজনক হয়ে ওঠে।

শাহেদ ড্রোনের প্রযুক্তি

শাহেদ-১৩১ ও শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ছোট আকারের ডেল্টা-উইং ডিজাইনের উড়ন্ত অস্ত্র, যার পেছনে থাকে একটি প্রপেলারচালিত ইঞ্জিন। ‘শাহেদ’ একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ ‘সাক্ষী’। ২০০০ সালের শুরুতে ইরানের শাহেদ এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিজ এই ড্রোনের উন্নয়ন শুরু করে।

ড্রোনটি উৎক্ষেপণের সময় একটি রকেট বুস্টারের সাহায্যে আকাশে ওঠে। নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বুস্টারটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিস্টন ইঞ্জিন চালু হয়। ঘণ্টায় প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার গতিতে উড়ে এটি লক্ষ্যবস্তুর ওপর চক্কর দিতে পারে এবং সুযোগ বুঝে ডাইভ দিয়ে আঘাত হানে। এর মাথায় প্রায় ৬০ থেকে ৯০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করা যায়।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও এই ড্রোন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলায় শাহেদ ড্রোন ব্যবহার শুরু করে। এর প্রতিকারে ইউক্রেন একটি বিশেষ অ্যান্টি-ড্রোন স্কোয়াড গঠন করেছে, যা এসব ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংসে কাজ করছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিম এশিয়ায়ও এই বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তিনি শর্ত দিয়েছেন, পশ্চিমা দেশগুলোকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করতে হবে।

শনাক্ত করা কঠিন

শাহেদ ড্রোনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো শনাক্ত করা তুলনামূলক কঠিন। আকার ছোট হওয়ায় রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। পাশাপাশি খুব সহজে উৎক্ষেপণ করা যায় বলে অনেক সময় কোথা থেকে ড্রোনটি ছাড়ানো হয়েছে, তা নির্ণয় করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে এর পিস্টন ইঞ্জিনের বিশেষ শব্দের কারণে অনেক সময় ড্রোনটির উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, রাশিয়া এই প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করেছে, ফলে রাতেও এগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।

একই পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র

শাহেদ ড্রোনের কার্যকারিতা দেখে যুক্তরাষ্ট্রও এখন একই ধরনের কম খরচের আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড এই প্রকল্পের নাম দিয়েছে লুকাস (Low Cost Uncrewed Combat System)। ইরানের শাহেদ ড্রোনের আদলে তৈরি এই ড্রোনগুলোর উৎপাদন খরচ প্রায় ৩৫ হাজার ডলার।

গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এই কৌশলগত পরিবর্তনের ঘোষণা দেয় এবং পশ্চিম এশিয়ায় ‘টাস্কফোর্স স্করপিয়ন স্ট্রাইক’ নামে আত্মঘাতী ড্রোন স্কোয়াড্রন চালু করে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৩৮

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৩৮

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৩৮

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৩৮