ইরানে হামলার পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে শেষবার দেখা গিয়েছিল ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে। তবে তৃতীয়দিনের মাথায় আবারও দেখা গিয়েছে নেতানিয়াহুকে। সোমবার জেরুজালেমের পশ্চিমে অবস্থিত বেইম শেমেস শহরে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা পরিদর্শন করছেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, এটি অপারেশন রোরিং লায়নের তৃতীয় দিন—এই অভিযানটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র শুরু করেছে আমাদের মহান বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একযোগে, ইসরায়েলের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি এবং আমেরিকা ও সমগ্র বিশ্বের প্রতি বড় হুমকিগুলো প্রতিহত করার জন্য।
তিনি আরও বলেন, আমি যখন এখানে দাঁড়িয়ে আছি—একটি স্থানে, যেখানে তেহরানের সন্ত্রাসীরা নিরীহ বেসামরিক মানুষের ওপর বোমাবর্ষণ করেছে—আপনারা পার্থক্যটি দেখতে পাচ্ছেন। তেহরানের স্বৈরশাসকরা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানায়। আমরা তেহরানের সেই স্বৈরশাসকদের লক্ষ্যবস্তু বানাই, বেসামরিক মানুষকে রক্ষা করার জন্য।
ইরানকে আবারও হুমকি দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, আমি বহু বছর ধরে বলে আসছি, তারা শুধু ইসরায়েল বা শুধু আমেরিকাকেই হুমকি দেয় না। তারা স্লোগান দেয়—“ইসরায়েলের মৃত্যু”, “আমেরিকার মৃত্যু”। এটাই তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। কিন্তু আমি আরও বলেছিলাম, তারা মাঝামাঝি দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করবে, তারা ইউরোপকেও আক্রমণ করবে। তারা তা করেছে।
নিজেরা হামলার ব্যাপারে কোনো কথা না বলে ইরানের হামলায় উদ্বিগ্ন হয়ে নেতানিয়াহু বলেন, আর যদি এই শাসনব্যবস্থা—এমন এক সন্ত্রাসী শাসন, যার মতো আমরা বিশ্বে আগে কখনও দেখিনি—যদি তারা পারমাণবিক অস্ত্র এবং তা বহনের উপায়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অর্জন করে, তবে তারা সমগ্র মানবজাতির জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।
পরে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, তাই আমরা নিজেদের রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছি, কিন্তু এর মাধ্যমে আমরা আরও অনেককেই রক্ষা করছি। এবং আমি বিশ্বনেতা ও আমাদের মহান বন্ধু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টায় আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই—বিশ্বকে রক্ষা করার এই প্রচেষ্টায়। ধন্যবাদ।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?