বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

 দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান কারাগারে

আসামি বারকাত জামিন পেলে তিনি আত্মগোপনে যেতে পারেন এবং সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে রাখার আবেদন করা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

১১ জুলাই ২০২৫, ১৮:১১

অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে দুপুর ২টা ২২ মিনিটে বারকাতকে আদালতের হাজতখানায় হাজির করা হয় এবং ২টা ৪৯ মিনিটে এজলাসে তোলা হয়। বিচারক বিকাল ৩টা ৪১ মিনিটে এজলাসে আসেন। শুনানিকালে বারকাতের পাশে তার মেয়ে ও স্বজনরা বসেছিলেন, মাঝেমধ্যে তিনি নাতিকে কোলে নেন।

শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও তা সমর্থন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করে। আদালত জানায়, রিমান্ড বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কোর্টে হবে, তবে বারকাতকে আপাতত কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বারকাতসহ ২৩ জন এননটেক্স গ্রুপের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়েছেন।

মামলায় বলা হয়েছে, বারকাত ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ অন্যরা যোগসাজশে জাল রেকর্ড তৈরি করে, মর্টগেজ জমিতে অবাস্তব স্থাপনা দেখিয়ে এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রতারণার মাধ্যমে এই ঋণ অনুমোদন করান, যার মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। মামলাটি তদন্তাধীন।

দুদক জানায়, আসামি বারকাত জামিন পেলে তিনি আত্মগোপনে যেতে পারেন এবং সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে রাখার আবেদন করা হয়েছে।

অর্থনীতি

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা […]

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২১

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করাই একটি কঠিন কাজ। নিবন্ধন জটিল, সেবা নিতে গেলে সরকারি অফিসে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা কমাতে আগামী বছর থেকেই উদ্যোক্তারা অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে তিনি শিল্প উপদেষ্টা, বিসিক ও বিভিন্ন শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা মেলায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৪০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান।

বক্তারা জানান, এসএমই খাতে বর্তমানে সুদহার ১৫ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে বেশি। এনজিও থেকে ঋণ নিলে সুদ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে হয়, ফলে উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যায়। তারা বলেন, এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু হলেও বাস্তবে এটি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে নির্বাচনের কারণে সব খাতেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে এসএমই–খাতে ঋণ কমছে। ব্যাংক খাতে এখন দেড় লাখ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। বক্তারা মনে করেন, চাহিদা বাড়লেই অর্থনীতির চাকা আবার সচল হবে।

এসময় রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউসের কঠোর প্রক্রিয়া এসএমই খাতের জন্য আরও সহজ করার দাবি তোলা হয়।

অর্থনীতি

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে। ড. আহসান এইচ মনসুর […]

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিগত সময়ে এই খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি না কাটলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলে জানান গভর্নর। যদিও মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনই ছোঁয়া সম্ভব হয়নি, তবে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নতুন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিন দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সক্ষম করে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, সরকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ চায় না। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অর্থনীতির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করবে নতুন সরকার।

অর্থনীতি

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব : ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘ বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:১১

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘

বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পরও ব্যবসায়ীদের একই হারে, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি চাঁদা দিতে হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডিসিসিআই সভাপতির মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি সংকট ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে গেছে এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও তলানিতে। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ব্যবসায়ীরা কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।