বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

চট্টগ্রামের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী স্বঘোষিত ইসকন নওফেল

রক্তাক্ত বিপ্লবে শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনের অবসানের পর অন্যদের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন পতিত স্বৈরাচারী সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তবে গর্তে লুকিয়ে থেকেও দেশ বিরোধী নানা চক্রান্ত আর সন্ত্রাসে মদত দিয়ে যাচ্ছেন স্বৈরাচারের এই নিকৃষ্টতম দোসর।   দেশকে অস্থিতিশীল করে হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার যে […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:১০

রক্তাক্ত বিপ্লবে শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনের অবসানের পর অন্যদের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন পতিত স্বৈরাচারী সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তবে গর্তে লুকিয়ে থেকেও দেশ বিরোধী নানা চক্রান্ত আর সন্ত্রাসে মদত দিয়ে যাচ্ছেন স্বৈরাচারের এই নিকৃষ্টতম দোসর।

 

দেশকে অস্থিতিশীল করে হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার যে অপচেষ্টা চলছে তার অন্যতম কুশীলব চট্টগ্রামের এই সন্ত্রাসী গডফাদার। ইতোমধ্য চট্টগ্রাম থেকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চক্রান্তে স্বঘোষিত এই ইসকন সদস্যের সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের তড়িৎ হস্তক্ষেপে জাতি-রাষ্ট্র বিরোধী এসব চক্রান্ত নস্যাৎ হলেও তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নীল নকশা থেমে নেই।

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ভয়ঙ্কর সব সন্ত্রাসীদের জড়ো করে চট্টগ্রামে বড় ধরণের নাশকতার ছক এঁকে চলেছেন এই গডফাদার-এমন তথ্যও এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার কাছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠা নওফেল প্রথমে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। বিগত ৭ জানুয়ারির আমি আর ড্যামির নির্বাচনের পর তাকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেন মাফিয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য এই নওফেলকেই দায়ী করেন সাধারণ মানুষ। রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর চট্টগ্রামে তার একের পর এক কর্মকাণ্ড বিতর্কের জন্ম দেয়।

 

তার পিতা মরহুম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সহনশীলতার রাজনীতির ঐতিহ্য ম্লান করে দিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেন নওফেল। দলের সিনিয়র নেতাদের অবজ্ঞা, অপমান আর দলীয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সন্ত্রাসী লালন, শহীদ প্রেসিডেনট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে চরম অবমাননাকর মন্তব্য ছিল তার স্বভাবজাত।

দলের ভেতরে কলহ কোন্দল এবং দলীয় প্রতিপক্ষকে দমনে সরাসরি সন্ত্রাসে মদত দিয়ে চরম ঘৃনার পাত্র হয়ে উঠেন তিনি। বিগত দেড় দশকে চট্টগ্রামের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পাড়া মহল্লায় তার বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজি মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল। চট্টগ্রামের পুরো অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে। তার বাহিনীর কাছে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীও ছিলেন কোণঠাসা।

 

বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচী বানচালে তার ক্যাডার বাহিনী সক্রিয় ছিলো সব সময়। সর্বশেষ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে নির্বিচারে গুলি বর্ষণকারীরা তার লালিত ক্যাডার বাহিনীর সদস্য। তাদের গুলিতে ১১জনের মৃত্যু হয়েছে। নওফেলের নির্দেশে ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। তাদের অনেকে এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

 

বিগত ৫আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরপরই চট্টগ্রামের অপরাধীরা পালাতে শুরু করে। পালাতে গিয়ে অনেকে ধরা পড়েছে। তবে নও নওফেল দেশে না বিদেশে রয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও তিনি যে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের ক্যাডার বাহিনীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে অন্তর্ঘাতমূলক অপকর্মের নীল নকশা তৈরি করছেন তার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ জেলার পর চট্টগ্রামে সর্ব প্রথম হাসিনার পক্ষে মিছিল বের করার দুঃসাহস দেখায় ছাত্রলীগ। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন নওফেল।

 

জানা গেছে, আড়ালে থেকে নওফেল চট্টগ্রামে তার বাহিনীর সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে চলেছেন। তাদের নানা নির্দেশনা দিচ্ছেন। দাঙ্গা লাগানোর চক্রান্ত ভেস্তে যাওয়ার পর এখন নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। এজন্য চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জড়ো করার চেষ্টা চলছে। চট্টগ্রামে আওয়ামী যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের অনেক সন্ত্রাসী এখনো গ্রেফতার এড়াতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অস্ত্রভান্ডার অক্ষত অবস্থায় আছে। ফলে তারা দ্রুত সংগঠিত হতে পারে। তবে চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসনের তরফে বলা হচ্ছে, কাউকেই নাশকতা সৃষ্টির সুযোগ দেয়া হবে না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭৮

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭৮

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭৮

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৫৪৯৬