সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল : শাওন

কেন পাকিস্তান? আর আপনাদের এই দায়িত্ব কে দিয়েছে?” কেউ লিখেছেন— “পাকিস্তান চাই না, কোনো ডিলও চাই না।” আবার কেউ বলেছেন— “ওনাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কী শিখবে, তা আমাদের কাছে রহস্য

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৭

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন আবারও আলোচনায় এসেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সমালোচনামূলক মন্তব্যের কারণে। পর্দায় আগের মতো নিয়মিত না হলেও ফেসবুকে প্রায়ই রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে সরব থাকেন তিনি। এবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের বৈঠক নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাওন।

শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে এনসিপির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে এনসিপি নেতারা দাবি করেন, পাকিস্তান দূতাবাস থেকে আমন্ত্রণের ভিত্তিতেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তারা জানান, দুই দেশের দীর্ঘদিনের শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক কাটিয়ে উন্নতির সুযোগ তৈরি করা দরকার, আর সে জন্য একাত্তরের ইস্যুগুলো দ্রুত সমাধান করতে হবে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী এসময় “৭১ ডিল” শব্দ ব্যবহার করেন। আর এই শব্দ ব্যবহারের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মেহের আফরোজ শাওন।

ফেসবুকে এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের একটি ভিডিও শেয়ার করে শাওন লিখেন—

“মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল!”

তিনি আরও লিখেছেন—

“এই ‘ঘিলু’ মহোদয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে গেলেন কবে? ফরেন পলিসি নিয়ে পাকিস্তানের ফরেন মিনিস্ট্রির সাথে মিটিং করছেন! উনার ভাষ্যমতে ‘গত ১৫/২০ বছরে’ অনেক চেষ্টা করেও পাকিস্তান তাদের ভালো ভালো জিনিস আমাদের শেখাতে পারে নাই! যাক ভালোই হলো, ‘বিল্ডিং রিলেশনশিপ’-এর পর এখন বাংলাদেশ সব শিখে নিবে। ৪৪ সেকেন্ড পার করে দেখলাম ‘৭১ ডিলের একটা ইস্যুও নাকি আছে যেটা ওনাদের মতে দ্রুত সলভ (!) করা উচিত।”

তার এ পোস্টের নিচে অনুরাগীদের প্রতিক্রিয়াও এসেছে ঝড়ের মতো। অনেকে শাওনের সঙ্গে একমত পোষণ করে লিখেছেন—

“কেন পাকিস্তান? আর আপনাদের এই দায়িত্ব কে দিয়েছে?” কেউ লিখেছেন— “পাকিস্তান চাই না, কোনো ডিলও চাই না।” আবার কেউ বলেছেন— “ওনাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কী শিখবে, তা আমাদের কাছে রহস্য।”

মুক্তিযুদ্ধকে “৭১ ডিল” আখ্যা দেওয়ায় শাওনের মতো সচেতন মহলেও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে ডুবে না ফেরার দেশে অভিনেতা রাহুল

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে। জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা। তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৪

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে।

জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা।

তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষে অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি পানিতে নামেন।

তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনোভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।