বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

যাদের গানে হৃদয়ের জমে থাকা বেদনা ছুঁয়ে যায়-সেই অবশেষ ব্যান্ডের নতুন গান ‘সত্য আবেশ’

ভালোবাসা সবসময় রয়ে যায়, কিন্তু মানুষটা আর থাকে না। সম্পর্ক শেষ হয়, অথচ আবেগ থেকে যায় একান্ত নীরবতায়। এই চিরন্তন বিষাদকে স্পর্শ করে নতুন গান নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রগতিশীল ব্যান্ড অবশেষ। তাদের সদ্য প্রকাশিত গান ‘সত্য আবেশ’ বলেছে সেই না-পাওয়ার কথা, যেখানে ভালোবাসা ভাঙে না, কেবল সরে যায়। তরুণদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ‘অবশেষ’ চলমান অ্যালবাম […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ১৯:৩১

ভালোবাসা সবসময় রয়ে যায়, কিন্তু মানুষটা আর থাকে না। সম্পর্ক শেষ হয়, অথচ আবেগ থেকে যায় একান্ত নীরবতায়। এই চিরন্তন বিষাদকে স্পর্শ করে নতুন গান নিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রগতিশীল ব্যান্ড অবশেষ। তাদের সদ্য প্রকাশিত গান ‘সত্য আবেশ’ বলেছে সেই না-পাওয়ার কথা, যেখানে ভালোবাসা ভাঙে না, কেবল সরে যায়।

তরুণদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ‘অবশেষ’ চলমান অ্যালবাম “অধরা”-এর চতুর্থ মৌলিক গান হিসেবে ‘সত্য আবেশ’ প্রকাশ করেছে ২৯ জুলাই, ঢাকার ফার্মগেটের ‘হেভি মেটাল টি-শার্ট’ আউটলেটে আনুষ্ঠানিকভাবে। ভালোবাসা, অমোচনীয় হৃদয়ের আবেশ এবং নিঃশব্দ বেদনার মিশ্রণে গঠিত এই গানটি ইতোমধ্যে আগ্রহী শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন তৌকির নিশার, কণ্ঠে আছেন স্বাক্ষর। গিটারে ছিলেন ফাইয়াজ ও অর্ক, বেজ গিটারে ফাইয়াজ, বাঁশিতে অঙ্কণ, এবং ড্রামে ছিলেন রৌদ্র। গানের গল্পনির্ভর মিউজিক ভিডিও নির্মাণ ও পরিচালনা করেছেন ব্যান্ডের ম্যানেজার রেয়ান মাহাদী। ভিডিওটিতে অতিনাটকীয়তা নেই, বরং বাস্তব অনুভূতির কাছে পৌঁছানোর আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে।

ব্যান্ডের ড্রামার ও প্রতিষ্ঠাতা রৌদ্র চৌধুরী বলেন, “সত্য আবেশ আমাদের হৃদয়ের খুব কাছের একটি গান। আমরা বিশ্বাস করি—এই অনুভবটা, এই না-পাওয়ার গভীরতাটা—প্রত্যেক শ্রোতার মনে একটা না একটা সময় বাজবেই।”

গীতিকবি তৌকির নিশার বলেন, “গানটি এমন এক মুহূর্তের কথা বলে, যা চলে যাওয়ার পরেও থেকে যায়। এই অনুভূতির গায়ে সত্যের আবেশ লেগে থাকে সারাজীবন।”

নির্দেশক রেয়ান মাহাদী জানান, “এই গানটির গল্প বাস্তবের কাছাকাছি, যেখানে ভালোবাসা সবসময় থেকে গেলেও, মানুষটা হারিয়ে যায়। ভিডিওতে আমরা সেই না-পাওয়ার আবেগ এবং সত্য ভালোবাসার অনুরণন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

‘সত্য আবেশ’ কেবল একটি গান নয়—এটি যেন এক ধরনের আত্মদর্শন, যেখানে সুরের ভেতর আটকে থাকে হারানো সম্পর্কের প্রতিধ্বনি।

“অধরা” অ্যালবামের একেকটি গান—একেকটি অনুভব। অবশেষ ব্যান্ডের চলমান এই অ্যালবাম শুধুই কিছু গান নয়—এ যেন এক একটি আত্মজিজ্ঞাসার রূপ। এই অ্যালবামের প্রতিটি সুরে ফুটে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের হারিয়ে ফেলা সময়, অপ্রাপ্ত প্রেম, সমাজে টিকে থাকার লড়াই এবং নিঃশব্দ কষ্ট।

“অধরা” ভালোবাসার সেই মরিচীকার কথা বলে, যা পাশে থেকেও ধরা দেয় না। ছুঁতে গেলে যেন আরও দূরে সরে যায়। গানটি এক অসমাপ্ত চাওয়ার বর্ণনা, যেখানে ভালোবাসা অস্তিত্বে থাকে, কিন্তু অর্জনে নয়।

“শৈশব” হারিয়ে যাওয়া নির্মল সময়কে নতুন করে অনুভব করায়। শৈশব এখানে কেবল একটি বয়স নয়, বরং এক ধরনের নির্মলতা, যা এখন শুধুই স্মৃতির ধুলোমাখা প্রান্তরে বাস করে। আধুনিক জীবনের ক্লান্তির ভেতরে চাপা পড়ে যাওয়া সেই সময়গুলোকে ফিরিয়ে আনার এক নিঃশব্দ ডাক।

“এই আমি” একজন মানুষের আত্মসংঘর্ষের গল্প। সমাজের চাপ, রীতি আর সীমাবদ্ধতার ভিড়ে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে ফেরার যন্ত্রণা। গানটি বলেছে, আমরা সবাই হয়তো বাইরে থেকে পরিপূর্ণ, কিন্তু ভেতরে লড়ছি নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে।

“সত্য আবেশ” সেই না-পাওয়ার অনুভূতির সুর, যা চাইলেও ভুলে থাকা যায় না। কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়, কিন্তু কিছু অনুভব হৃদয়ের গোপন প্রকোষ্ঠে চিরকাল বেঁচে থাকে। এই গান সেই নিঃশব্দ বেদনার মেলোডি, যেখানে ভালোবাসা মুখ নেই, নাম নেই, কেবল ব্যথা হয়ে বাজে।

অবশেষ ব্যান্ডের “অধরা” অ্যালবামটি যেন সময়, আত্মপরিচয়, হারানো স্বপ্ন আর প্রেমের ভেতরে ঢেউ তোলা এক সুরযাত্রা। প্রতিটি গান শ্রোতাকে নিয়ে যায় এক নির্জন আত্মদর্শনের পথে, যেখানে প্রশ্নের চেয়েও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে অনুভব।

‘সত্য আবেশ’ এখন অবশেষ ব্যান্ডের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে। যারা একসময় ভালোবেসেছেন, কিন্তু তা হারিয়ে ফেলেছেন—তাদের হৃদয়ের কথা হয়তো এই গানই বলবে। যারা অনুভব করতে জানেন, কিন্তু বলতে পারেন না—তাদের জন্য এ এক নিঃশব্দ ভাষা।

এই গান শুধুই শোনার জন্য নয়—এটি অনুভব করার জন্য।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

‘যদি মৃত্যুও হয় তবে সেটা শহিদি মৃত্যু হবে, আমি পাত্তা দেই না হুমকি ধামকিকে’ : চমক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও। তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি। অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৩৯

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও।

তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক অবস্থান প্রকাশ করাই যদি অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটি সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর ইঙ্গিত।

হুমকির পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চমক লেখেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। একজন গুরুতর হামলার শিকার মানুষের সুস্থতা কামনা করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য। তার ভাষায়, “একজন মানুষ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। তার জন্য দোয়া করাটাই যদি কারও কাছে অপরাধ মনে হয়, তাহলে সেটা দুঃখজনক।”

এ ধরনের হুমকি তাকে ব্যক্তিগতভাবে আতঙ্কিত করলেও ন্যায়ের জায়গা থেকে সরে আসবেন না বলে স্পষ্ট অবস্থান জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, আর ভয় দেখিয়ে এই স্বাধীনতা দমন করা যায় না।

শুধু লিখিত বক্তব্য নয়, একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন চমক। সেখানে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “যদি মৃত্যুও হয়, তবে সেটা হবে শহিদি মৃত্যু। আমি হুমকি-ধামকিকে পাত্তা দিই না।”

চমকের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি চান, দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে যারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানালেও সেই মানবিক অবস্থান প্রকাশের পরই অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক এই হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।