বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

‘আমরা পারিনি, আমরা পারলাম না’ গাজাবাসীর জন্য তারকাদের শোক

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নির্বিচার হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েল। গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে গাজায় ফের ব্যাপক হামলা চালানো শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা। পাখির মতো মরছে মানুষ। আহতদের চিৎকারে ভারী আকাশ-বাতাস গাজার এমন পরিস্থিতিতে হতবাক বিশ্বমানবতা। এ বর্বরতা হৃদয় স্পর্শ করেছে বিশ্বের সব শ্রেণিপেশার মানুষের। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সবাই। […]

‘আমরা পারিনি, আমরা পারলাম না’ গাজাবাসীর জন্য তারকাদের শোক

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:৩৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নির্বিচার হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েল। গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে গাজায় ফের ব্যাপক হামলা চালানো শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা। পাখির মতো মরছে মানুষ। আহতদের চিৎকারে ভারী আকাশ-বাতাস

গাজার এমন পরিস্থিতিতে হতবাক বিশ্বমানবতা। এ বর্বরতা হৃদয় স্পর্শ করেছে বিশ্বের সব শ্রেণিপেশার মানুষের। নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সবাই। শোবিজ অঙ্গনেও দেখা গেছে গাজাবাসীদের জন্য শোকের ছায়া।

জয়া আহসান থেকে আসিফ আকবর, সামাজিক মাধ্যমে গাজা নিয়ে হৃদয়ভাঙা অনুভূতি শেয়ার করেছেন অনেক তারকা।

অভিনেত্রী জয়া আহসান বিশ্বনেতাদের সমালোচনা করে এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। রবিবার (৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনারা ১৫ জন জরুরি চিকিৎসাকর্মীকে হত্যা করেছে। গাজায় যে নিষ্ঠুর আর হৃদয়হীন গণহত্যা ইসরায়েল চালিয়ে আসছে, এটা তারই অংশ।

পৃথিবীকে তারা ফিলিস্তিনিশূন্য করার নিয়ত নিয়ে নেমেছে। বিশ্ববাসীর প্রতিবাদে ইসরায়েল ভ্রূক্ষেপ করবে না, সেটা জানি। কিন্তু বাকি বিশ্ব? বিশ্বের বড় বড় নেতারা? এভাবে বেশুমার শিশুহত্যা, নারীহত্যা, গণহত্যা সবার চোখের সামনে চলতে থাকবে? মানুষের হৃদয়ের ওপর থেকে পর্দা সরুক। ফিলিস্তিনিরা মানুষের মতো বাঁচার সুযোগ পাক।’

চিত্রনায়ক সিয়ামও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘ফিলিস্তিনের জন্য আমার মনের কান্না কখনো থামাতে পারিনি। যখন ‘জংলি’র গল্প লেখা হচ্ছিল, তখনো পাখির জায়গায় আমি বারবার ফিলিস্তিনি শিশুদেরই কল্পনা করতাম। আমরা কি শিশুদের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী উপহার দিয়ে যেতে পারব না?

যখন যুদ্ধবিরতি চলছিল, তখনো আমি শান্তি পাচ্ছিলাম না। শুধু মনে হতো, এই বিরতি কতক্ষণের? কতক্ষণ এই মানুষগুলো বাঁচবে আসলে? এই যে ঈদের পরপরই তাদের ওপর নরক নেমে এলো, তার দায় কি এই পৃথিবী নেবে না?

এই বিশ্ব লিডারস, ইসলামিক স্কলারস, নোবেল লরিয়েটস, সাধারণ মানুষ, আমরা কেউ কি এড়াতে পারব এর দায়? আল্লাহ, তুমি জান্নাতের দরজা খুলে দাও। এই পৃথিবী আর গাজাবাসীর জন্য নয়। আমরা পারিনি, আমরা পারলাম না।”

গাজা নিয়ে লিখেছেন এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানও। রবিবার নিজের ফেসবুকে সাদিয়া লিখেছেন, ‘গাজায় যেভাবে প্রতিদিন নিরীহ মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা নৃশংসভাবে প্রাণ হারাচ্ছে, তা মানবতা এবং মুসলিমদের জন্য এক কলঙ্ক।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে হাজারো স্বপ্ন, কান্না আর আর্তনাদ। এই নিষ্ঠুরতা যেন কোনো সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। হে আল্লাহ তায়ালা, তুমি গাজার মানুষদের হেফাজত করো। তুমি তাদের ধৈর্য দান করো, শত্রুদের অন্তরে শান্তি ও মানবতা দান করো এবং সব নির্যাতনের অবসান ঘটাও। আমিন।’

গায়ক আসিফ আকবর গাজাবাসীদের নিয়ে লিখেছেন, ‘বিদায় রাফাহ্-গাজার জান্নাতি শহীদেরা। শ্রেষ্ঠ ধর্মের অনুসারী আর তাদের নিকৃষ্ট শাসকরা আনন্দে থাকুক জ্বলন্ত জমিনের দোজখে।’

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

‘যদি মৃত্যুও হয় তবে সেটা শহিদি মৃত্যু হবে, আমি পাত্তা দেই না হুমকি ধামকিকে’ : চমক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও। তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি। অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৩৯

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও।

তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক অবস্থান প্রকাশ করাই যদি অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটি সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর ইঙ্গিত।

হুমকির পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চমক লেখেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। একজন গুরুতর হামলার শিকার মানুষের সুস্থতা কামনা করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য। তার ভাষায়, “একজন মানুষ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। তার জন্য দোয়া করাটাই যদি কারও কাছে অপরাধ মনে হয়, তাহলে সেটা দুঃখজনক।”

এ ধরনের হুমকি তাকে ব্যক্তিগতভাবে আতঙ্কিত করলেও ন্যায়ের জায়গা থেকে সরে আসবেন না বলে স্পষ্ট অবস্থান জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, আর ভয় দেখিয়ে এই স্বাধীনতা দমন করা যায় না।

শুধু লিখিত বক্তব্য নয়, একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন চমক। সেখানে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “যদি মৃত্যুও হয়, তবে সেটা হবে শহিদি মৃত্যু। আমি হুমকি-ধামকিকে পাত্তা দিই না।”

চমকের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি চান, দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে যারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানালেও সেই মানবিক অবস্থান প্রকাশের পরই অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক এই হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।