সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

যে কৌশলে ১০ কাঠার প্লট বাগিয়ে নেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ

স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা সরকারের তোষামোদি করে প্লট বাগিয়ে নিয়েছেন ঢালিউড অভিনেতা আরিফিন শুভ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে তাকে ১০ কাঠার প্লট দেওয়া হয়েছে। তার প্লটের আইডি নম্বর-০১-৪০৩-০০৮, কোড নম্বর-১৯০৮৯৯ এবং ১৩/এ-ধারায় তিনি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন। এ ধারায় সংরিক্ষত কোটায় প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে। ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্তে […]

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২১:০৭

স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা সরকারের তোষামোদি করে প্লট বাগিয়ে নিয়েছেন ঢালিউড অভিনেতা আরিফিন শুভ।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে তাকে ১০ কাঠার প্লট দেওয়া হয়েছে। তার প্লটের আইডি নম্বর-০১-৪০৩-০০৮, কোড নম্বর-১৯০৮৯৯ এবং ১৩/এ-ধারায় তিনি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন।

এ ধারায় সংরিক্ষত কোটায় প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে। ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্তে এ প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে রাজউকের সংশ্লিষ্টরা জানান।

তারা জানান, রাজউকের বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী সংরক্ষিত কোটায় প্লট দেওয়া হয় ১৩-এ ধারাতে। সেখানে বলা হয়েছে-সংসদ সদস্য, বিচারপতি, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা; যারা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদান রেখেছেন, তাদেরকে এ ধারায় প্লট দেওয়া যায়। তবে এ ধারার শর্ত অনুযায়ী যাদের রাজউক এলাকায় যাদের নিজস্ব প্লট বা ফ্ল্যাট রয়েছে, তারা প্লট পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন না।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, রাজউকের উপ-পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) নায়েব আলী শরীফ স্বাক্ষরিত এক আদেশে আরিফিন শুভকে তার প্লটের চূড়ান্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতি কাঠা ৩ লাখ টাকা দামে ১০ কাঠা জায়গার মূল্য পরিশোধ করেছেন ৩০ লাখ টাকা। যদিও ওই সেক্টরের প্রতি কাঠা জায়গার বাজার মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি। সে হিসাবে চলচ্চিত্র অভিনেতা শুভ পেয়েছেন প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের প্লট।

প্লট বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা বলেছিলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংরিক্ষত কোটায় আরিফিন শুভকে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিনোদন

সালমান শাহকে শেষ করতে কিলার ভাড়া করেন শাশুড়ি, আসামি রেজভীর জবানবন্দি

“যারা ২৯ বছর ধরে সত্যকে লুকিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।”

সালমান শাহকে শেষ করতে কিলার ভাড়া করেন শাশুড়ি, আসামি রেজভীর জবানবন্দি

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:০৬

বাংলা চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর তার অকাল প্রয়াণ ঘিরে দীর্ঘদিনের রহস্য নতুন মোড় নিয়েছে। এতদিন ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে প্রচারিত এ ঘটনাকে আদালত এখন ‘পরিকল্পিত হত্যা’ হিসেবে দেখছে। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হকের রায়ের ভিত্তিতে নতুন করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে আসামিদের একজন রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন—সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে হত্যা করা হয়েছিল।

রেজভীর স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে, সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা সাজানো হয় রাজধানীর গুলিস্তানের একটি বারে। সেখানে সালমানের শাশুড়ি লতিফা হক লুসি ১২ লাখ টাকায় কিলার ভাড়া করেন। এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন আলোচিত চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, সালমানের স্ত্রী সামিরা হকসহ আরও ১১ জন। হত্যার পর ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করে ধামাচাপা দেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে উল্লেখ আছে, রেজভীর জবানবন্দিতে তিনি বিস্তারিতভাবে হত্যার বিবরণ দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়, “ডন ছিল সালমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কিন্তু তার স্ত্রী সামিরার সঙ্গে গোপন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একই সময়ে সামিরার মা লতিফা হকের সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়েরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ফলে সালমান তাদের থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন।”

পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলিস্তানের বারে বৈঠকে ১২ লাখ টাকায় সালমানকে হত্যার চুক্তি হয়। পরদিন গভীর রাতে ডন, ফারুক, ডেভিড, জাভেদ ও রেজভী এফডিসি থেকে সালমানের বাসায় যায়। সেখানে সামিরা, তার মা ও আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের উপস্থিতিতে সালমান শাহকে ক্লোলোফর্ম, ইনজেকশন ও গলায় রশি দিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে সাজানো হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আসামি রেজভীর স্বীকারোক্তি অবজ্ঞা করার কোনো আইনগত সুযোগ নেই, কারণ তিনি স্পষ্টভাবে হত্যার কথা বলেছেন। অথচ সেই সময় পুলিশ এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কোনো হত্যা মামলা নেয়নি, যা আইনের ব্যত্যয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, সালমান শাহর পরিবারের আগের মামলার সঙ্গে নতুন জবানবন্দি সংযুক্ত করে রমনা থানায় হত্যা মামলার এজাহার গ্রহণ করতে।

এই নির্দেশে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে সোমবার রাতে রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন সামিরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ, ছাত্তার, সাজু, রুবী, রেজভী আহমেদ ও আরও কয়েকজন। আদালত তদন্তের জন্য পুলিশকে আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বলেছেন,

“যারা ২৯ বছর ধরে সত্যকে লুকিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।”

মামলার আইনজীবী আবিদ হাসান বলেন,

“রেজভীর জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের পুরো চিত্র রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে পরিকল্পিত হত্যা। এখন শুধু ন্যায়বিচার বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।”

বিনোদন

সালমান শাহের মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলায় আসামি হলেন ডন ও সামিরাসহ আসামি ১১

আদালতের নির্দেশে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে। সোমবার (২১ অক্টোবর) মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এজাহার […]

সালমান শাহের মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলায় আসামি হলেন ডন ও সামিরাসহ আসামি ১১

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৩৬

আদালতের নির্দেশে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে। সোমবার (২১ অক্টোবর) মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এজাহার মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মামলার এজাহারে আসামিরা হলেন সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হক। এ ছাড়া আসামির তালিকায় আছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডনসহ আরো কয়েকজন।

মোট অভিযুক্ত ১১ জনের পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের নাম।

অভিনেতা সালমান শাহ হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে এ হত্যা মামলা চলবে বলে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দিয়েছেন।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তদন্তযাত্রা, যা প্রায় তিন দশক ধরে অপমৃত্যু মামলা হিসেবেই চলতে থাকে। পরবর্তী সময় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে মত দেয়।

তবে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই ওই প্রতিবেদন মানতে অস্বীকৃতি জানান এবং দাবি করে আসেন, তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

বিনোদন

সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানা পুলিশ চিঠি দিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তাধীন থাকায় আসামিরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য রমনা থানা থেকে সংশ্লিষ্ট সব বিমান ও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। রমনা থানার […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৫৬

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানা পুলিশ চিঠি দিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তাধীন থাকায় আসামিরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য রমনা থানা থেকে সংশ্লিষ্ট সব বিমান ও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম ফারুক বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তাই কোনো আসামি যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এ মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন অভিনেতার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

তবে এতে দ্বিমত পোষণ করেন সালমান শাহর পরিবার। তাদের দাবি, সালমান শাহকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অপমৃত্যু মামলার তদন্তে তদন্তকারীরা বারবার প্রতিবেদন দাখিল করেন নায়ক আত্মহত্যা কিরেছেন। এতে না রাজি জানিয়ে রিভিশন দাবি করেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী।

এর আগে, গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেওয়া নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের কাজ চলছে।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

অন্য ১০ আসামিরা হলেন- প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।