বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

ভারতীয় গণমাধ্যমের মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দিলেন ফারুকী

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের কিছু স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে সংখ্যালঘুদের বাসস্থান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যেসব সংখ্যালঘুরা এসব হামলার শিকার হয়েছে, তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ধর্মীয় কারণে নয়, বরং তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যমে এই ইস্যুটি নিয়ে ব্যাপকভাবে ‘অপপ্রচার’ চালানো […]

ভারতীয় গণমাধ্যমের মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দিলেন ফারুকী

ভারতীয় গণমাধ্যমের মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দিলেন ফারুকী

নিউজ ডেস্ক

১৪ আগস্ট ২০২৪, ২১:৪৪

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের কিছু স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে সংখ্যালঘুদের বাসস্থান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যেসব সংখ্যালঘুরা এসব হামলার শিকার হয়েছে, তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ধর্মীয় কারণে নয়, বরং তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন।

কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যমে এই ইস্যুটি নিয়ে ব্যাপকভাবে ‘অপপ্রচার’ চালানো হচ্ছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার যেসব ছবি এবং ভিডিও ভারতের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তার বেশিরভাগই ভুয়া। এই বিষয়ে ফেসবুকে সরব হয়েছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজের এক কর্মসূচিতে ছাত্র হত্যার বিচার চেয়ে বক্তব্য দেন অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন। অথচ ভারতীয়রা সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘সাহায্যপ্রার্থী হিন্দু নারী’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে পোস্ট শেয়ার করছে।

এমন একটি পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে ফারুকী লিখেছেন, ‘হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল বাঁধন, অথচ একটি এক্স আইডিতে তাকে সাহায্যপ্রার্থী হিন্দু নারী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সার্কাস। আপনাদের পরিস্থিতি আরেকটু ভালোভাবে বোঝানোর জন্য বলছি, বাঁধনের পেছনে চশমা পরা যে লোকটি দাঁড়িয়ে আছেন, পিপলি আর খান নামে সে ব্যক্তি হাসিনাকে নিয়ে একটি সিনেমাও বানিয়েছিলেন। আন্দোলনে তিনিও শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন।’

এছাড়া ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানকে ‘ইসলামপন্থিদের আন্দোলন’ হিসেবে দেখানোরও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এই চিত্র পরিচালক, ‘প্রথম দিন থেকেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবং (ভারতের) সামাজিক মাধ্যমের একটি অংশ জনতার বিপ্লবকে ইসলামপন্থিদের আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে, এটা স্রেফ মিথ্যাচার।’

শেখ হাসিনাকে উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের প্রতিমূর্তি হিসেবে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারের যে চেষ্টা চলছে, তারও বিরোধীতা করেছেন ফারুকী। এক্ষেত্রে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতা শশী থারুরের মন্তব্যকে সমর্থন করে তিনি বলেন, ‘দয়া করে বুঝার চেষ্টা করুন, সে (শেখ হাসিনা) একজন অত্যাচারী। শশী থারুর ঠিক বলেছেন যে, তার সময় শেষ হয়ে গেছে। তার হাত রক্তে রঞ্জিত। এই সুযোগে ভারতের উচিৎ ছিল বাংলাদেশের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তারা এখনো সে চেষ্টা করেনি।’

উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং পরে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একাত্মতা প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যম সক্রিয় ছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়া দীর্ঘসময় তার ছবি ‘শনিবার বিকেল’ আটকে রাখে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

‘যদি মৃত্যুও হয় তবে সেটা শহিদি মৃত্যু হবে, আমি পাত্তা দেই না হুমকি ধামকিকে’ : চমক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও। তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি। অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৩৯

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও।

তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক অবস্থান প্রকাশ করাই যদি অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটি সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর ইঙ্গিত।

হুমকির পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চমক লেখেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। একজন গুরুতর হামলার শিকার মানুষের সুস্থতা কামনা করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য। তার ভাষায়, “একজন মানুষ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। তার জন্য দোয়া করাটাই যদি কারও কাছে অপরাধ মনে হয়, তাহলে সেটা দুঃখজনক।”

এ ধরনের হুমকি তাকে ব্যক্তিগতভাবে আতঙ্কিত করলেও ন্যায়ের জায়গা থেকে সরে আসবেন না বলে স্পষ্ট অবস্থান জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, আর ভয় দেখিয়ে এই স্বাধীনতা দমন করা যায় না।

শুধু লিখিত বক্তব্য নয়, একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন চমক। সেখানে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “যদি মৃত্যুও হয়, তবে সেটা হবে শহিদি মৃত্যু। আমি হুমকি-ধামকিকে পাত্তা দিই না।”

চমকের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি চান, দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে যারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানালেও সেই মানবিক অবস্থান প্রকাশের পরই অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক এই হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।