রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত নীলফামারী জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’-এর নতুন আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মোঃ মুখতাসিফ আল মুর্শিদ মিজু এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর উপদেষ্টামণ্ডলী ও নির্বাচন কমিশনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আংশিক কমিটি প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধাণ নির্বাচন কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সাদেক জানান, সভাপতি পদে মো. মুখতাসিফ আল মুর্শিদ মিজু ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সিফাত হাসান সাকিব পেয়েছেন ০৮ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আরিফুজ্জামান আরিফ ০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়।
ঘোষিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মো. সিফাত হাসান সাকিব। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রায়হান হোসাইন ও বৃষ্টি রানী রায়। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন মাহমুদুল হাসান নয়ন, জয়ন্ত রায়, সেলিম রেজা সীমান্ত, বেদশ্রী বন্দনা রায় ও শাকিলা ইয়াসমিন তৃপ্তি।
এছাড়া দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রিয়াদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক হিসেবে মোরছালিন ও আহনাফ আব্দুর রহিম এবং আইন সম্পাদক হিসেবে রাসেল ইসলাম মনোনীত হয়েছেন।
সংগঠনের নেতৃত্ব পেয়ে নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মুখতাসিফ আল মুর্শিদ মিজু বলেন, “আমাকে নির্বাচিত করার জন্য জেলার সকল ভাই-বোন ও সহপাঠীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমরা চাই দলমত নির্বিশেষে জেলার সকল শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের একাডেমিক ও মানসিক বিকাশে সহযোগিতা করতে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদকে একটি পরিবার হিসেবে গড়ে তুলব এবং শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুজ্জামান আরিফ বলেন, “এই জয় নীলফামারী জেলার সকল সাধারণ শিক্ষার্থীর। আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য আমি সকলের কাছে ঋণী। আমার প্রধান লক্ষ্য হবে সংগঠনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদকে ক্যাম্পাসের অন্যতম সেরা সংগঠনে জবিস্থ নীলফামারী ছাত্রকল্যাণের নবনির্বাচিত সভাপতি মিজু, সম্পাদক আরিফ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত নীলফামারী জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’-এর নতুন আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মোঃ মুখতাসিফ আল মুর্শিদ মিজু এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর উপদেষ্টামণ্ডলী ও নির্বাচন কমিশনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আংশিক কমিটি প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধাণ নির্বাচন কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সাদেক জানান, সভাপতি পদে মো. মুখতাসিফ আল মুর্শিদ মিজু ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সিফাত হাসান সাকিব পেয়েছেন ০৮ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আরিফুজ্জামান আরিফ ০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১টি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়।
ঘোষিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মো. সিফাত হাসান সাকিব। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রায়হান হোসাইন ও বৃষ্টি রানী রায়। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন মাহমুদুল হাসান নয়ন, জয়ন্ত রায়, সেলিম রেজা সীমান্ত, বেদশ্রী বন্দনা রায় ও শাকিলা ইয়াসমিন তৃপ্তি।
এছাড়া দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রিয়াদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক হিসেবে মোরছালিন ও আহনাফ আব্দুর রহিম এবং আইন সম্পাদক হিসেবে রাসেল ইসলাম মনোনীত হয়েছেন।
সংগঠনের নেতৃত্ব পেয়ে নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মুখতাসিফ আল মুর্শিদ মিজু বলেন, “আমাকে নির্বাচিত করার জন্য জেলার সকল ভাই-বোন ও সহপাঠীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমরা চাই দলমত নির্বিশেষে জেলার সকল শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের একাডেমিক ও মানসিক বিকাশে সহযোগিতা করতে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদকে একটি পরিবার হিসেবে গড়ে তুলব এবং শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুজ্জামান আরিফ বলেন, “এই জয় নীলফামারী জেলার সকল সাধারণ শিক্ষার্থীর। আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য আমি সকলের কাছে ঋণী। আমার প্রধান লক্ষ্য হবে সংগঠনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা নীলফামারী জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদকে ক্যাম্পাসের অন্যতম সেরা সংগঠনে রূপান্তর করব।”রূপান্তর করব।”