জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন বন্ধে নানা চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আগামী ৬ জানুয়ারি নির্ধারিত জকসু নির্বাচন যদি ব্যর্থ হয়, তবে এর সম্পূর্ণ দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারকে নিতে হবে।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় জকসু নির্বাচন ভণ্ডুল করতে পরিকল্পিতভাবে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। কারা এবং কাদের প্ররোচনায় এই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট সবাই জানে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতেও একাধিক ছাত্র সংসদ নির্বাচন পেছানোর পেছনে কারা চক্রান্ত করেছে, সেটিও শিক্ষার্থী সমাজের কাছে স্পষ্ট। এবারও একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ছাত্রশিবির সভাপতি।
পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, জকসু নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ হলে এর দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারকেই এর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায় নিতে হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর কারণে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তে ওই দিনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
পরে নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে আরেক দফা সিন্ডিকেট সভায় নির্বাচনের নতুন তারিখ হিসেবে আগামী ৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।