ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ শিক্ষা ও গবেষণা হলেও এসব ক্ষেত্রে সরকারি বাজেট খুবই কম, তাই অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে নতুন উৎস তৈরি করতে হবে। সকলের ভালোবাসা ও সহমর্মিতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি আধুনিক ও সুন্দর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপ নিবে।“
শনিবার (২২ নভেম্বর) বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলানায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, “১৯৭৯ সালের এই দিনে বিজ্ঞান, আধুনিকতা, সোশ্যাল সায়েন্স এবং ইসলাম শিক্ষার সমন্বয়ে একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এজন্য আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য পুরোনো এমওইউগুলো সচল করার পাশাপাশি নতুন কানেকটিভিটি তৈরি করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন,“পূর্বে ইসলামিক এডুকেশন বিভাগ থাকলেও এখন একটি নতুন অনুষদসহ থিওলজি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ চালু হয়েছে। আরও তিনটি বিভাগের প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায়, ফলে এক বছরের মধ্যে মোট পাঁচটি বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।”
ছাত্র সংসদের বিষয়ে তিনি বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ইকসু) গঠনের জন্য ইউজিসিতে প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে এবং আশা করি আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে এর পরিপূর্ণতা আসবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আলিনুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম।
চারুকলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান ও আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক।
দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে কেক কাটা, আনন্দ র্যালি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর চত্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া এবং দা মেসেঞ্জার নামক ইরানী মুভি প্রদর্শনের মাধ্যমে দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপ্তি হয়।