আতিকুর রহমান, রাবি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে জমজমাট হয়ে উঠেছে পুরো ক্যাম্পাস। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকেই বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা পোস্টার, লিফলেট ও শোভাযাত্রা নিয়ে ক্যাম্পাসে সরব হয়ে ওঠেন।
বিভিন্ন অনুষদ, হল ও একাডেমিক ভবনের সামনে প্রার্থীদের প্রচারণায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সমর্থকরা শ্লোগান ও ব্যানার হাতে নিয়ে প্রিয় প্রার্থীর জয় কামনায় ব্যস্ত সময় কাটান।
সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, আজ প্রচারণার শেষ দিন, এখন আমরা পাল্টা পাল্টি অভিযোগ করে সময় নষ্ট না করে প্রচারণায় সম্পূর্ণ সময় ব্যায় করতে চাই।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, গতকাল ১২ তম মিটিং এ গিয়ে আমাদের বাঁধা প্রদান করা হয়। এর আগে আমরা ১১ টি মিটিং সম্পূর্ণ করেছি কোনো বাঁধা ছাড়া। আমার মনে হয় আমাদের প্রতি শিক্ষার্থীদের সমর্থন কাউকে হয়তো হতাশ করেছে। তার জন্য তারা নির্বাচন কমিশনারকে আমাদের বিরুদ্ধে প্রভাবিত করিয়েছে।
ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ ভিপি পদপ্রার্থী নূর উদ্দিন আবির বলেন, ফ্যাসিবাদ আমল থেকেই আমরা কিন্তু শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলাম। তাদের অধিকার আদায়ের দাবি ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য আমরা বহু বার নানা ধরনের নির্যাতনে শিকার হয়েছি। সেই থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে আমাদের ওঠাবসা সম্পর্ক। যেহেতু নতুন করে আমরা ভোটের মাঠে নেমেছি, তাদের (শিক্ষার্থীদের) ভালোবাসা ও সমর্থনে আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আমরা অবশ্য জয় পরাজয় নিয়ে ভাবছি না। আমরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে আসছি এবং করে যাবো।
সম্মিলিত শিক্ষার্থীর জোটের জিএস পদপ্রার্থী ফাহিম রেজা বলেন, প্রথম বার যে উৎসব মূখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল তা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যে উৎসব মুখর রাকসু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা মনে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা আগের পরিবেশ থেকে দ্বিগুণ বেশি উপভোগ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের যে পরিমাণ সাড়া দিয়েছেন ও আন্তরিকতা দিয়ে গ্রহণ করেছেন, তাতে আমরা অভিভূত। প্রচারণার মাধ্যমে রাকসুর যে আমেজ তৈরি হয়েছে তা শিক্ষার্থীরা উপভোগ করছে এবং তারা ১৬ তারিখ দলে দলে আমাদের ভোট দিয়ে এক বছরের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দিবে বলে আমরা আশাবাদী।