জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতি কর্তৃক অবৈধ বাসস্ট্যান্ড ও দোকানপাট উচ্ছেদের দাবিতে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে চেয়ার বসা নিয়ে শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটসংলগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটের পাশে এ ঘটনায় সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল ও মাহমুদুল হাসানের অনুসারীরা মুখোমুখি হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভা শেষে চেয়ার বসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হঠাৎ উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় রবিউল আউয়ালের গ্রুপের কয়েকজন জুনিয়র সদস্য মাহমুদুল হাসানের কলার ধরে টান দেন। পরে মাহমুদুল হাসান সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার অনুসারীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এতে কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
এ বিষয়ে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “হয়তো মাহমুদ ভাই আমাদের নিজের দলের লোক ভেবে মার খেয়ে যাওয়ার পথে খারাপ ভাষা হবে খালি দেয়। ক্যাম্পাস টাইম শেষ ছিল তা আমরা কাউকে আমরা এগুলো বলিনি।
মূলত আমাদের উপরে কোন মানে হাতাহাতি করেনি। কিন্তু কথা হলো যে দলে হোক না কেন ক্যাম্পাস এই ধরনের কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না কথাটাই ভালো সামান্য প্রোটোকলের বিষয় নিয়ে একজন আরেকজনকে গায়ে হাত দিবে আবার কে কোন দল সেগুলো জাস্টিফাই না করে একজন আরেকজনকে গালি দিবে এগুলো তো কখনোই কাম্য না।”
যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান বলেন, “আমাকে মারধরের অভিযোগ সত্য নয়। ছোট ভাইদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যা হিমেল ভাই ও আরেফিন ভাই সমাধান করে দিয়েছেন।”
অন্যদিকে যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল বলেন, “আমি তখন খেতে গিয়েছিলাম। আমার কিছু জুনিয়র হয়তো উত্তেজনায় হাত তুলেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ও যেহেতু আমার ছোট ভাই, আমি কি ওকে মারতে পারি? আমরা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মিটিয়ে নিচ্ছি।”
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, আমরা বসে সমাধান করেছি। শিক্ষার্থী বান্ধব ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই কাম্য নয়।”