কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ডাকসু নির্বাচনের জন্য ছাত্রদল নিজেদের প্যানেল সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারণ করেছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা বাহ্যিক প্রভাব কাজ করেনি।
বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ডাকসুর পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি বলেন, “সব শিক্ষার্থীর মতামতের ভিত্তিতেই ছাত্রদল ডাকসুর রূপরেখা দিয়েছে। তবে যারা গুপ্ত অবস্থায় আছে, তারা যেন মব শিকারের সুযোগ না নেয়—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
ঘোষিত প্যানেলে মোট ২৮টি পদ রয়েছে। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আবিদুল ইসলাম খান আবিদ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর বারী হামিম এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয় একাত্তর হলের আহ্বায়ক তানভীর আল হাদী মায়েদ মনোনয়ন পেয়েছেন।
এ ছাড়া সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন—আরিফুল ইসলাম (মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন), এহসানুল ইসলাম (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), চেমন ফারিয়া ইসলাম মেঘলা (কমনরুম, পাঠকক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া), মেহেদী হাসান (আন্তর্জাতিক),
আবু হায়াত জুলফিকার জিসান (সাহিত্য ও সংস্কৃতি), চিম চিম্যা চাকমা (ক্রীড়া), সাইফ উল্লাহ (ছাত্র পরিবহন), সৈয়দ ইমাম হাসান অনিক (সমাজসেবা), আরকানুল ইসলাম রূপক (ক্যারিয়ার উন্নয়ন), আনোয়ার হোসাইন (স্বাস্থ্য ও পরিবেশ), মেহেদী হাসান মুন্না (মানবাধিকার ও আইন)। গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থী সানজিদা আহমেদ তন্বীর সম্মানে খালি রাখা হয়েছে।
প্যানেলে সদস্য পদে মনোনয়ন পেয়েছেন আরও ১৩ জন শিক্ষার্থী। উল্লেখযোগ্য হলো—মো. জারিফ রহমান, মাহমুদুল হাসান, নাহিদ হাসান, মো. হাসিবুর রহমান সাকিব, মুনইম হাসান অরূপ, মেহেরুন্নেসা কেয়া ও নিত্যানন্দ পাল।
প্রসঙ্গত, এর আগে মনোনয়নপত্র এককভাবে জমা দিলেও প্যানেল চূড়ান্ত করতে দেরি হয়। ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করেই চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে।